গত ২৩ এপ্রিল চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে ফিল্ডিং করার সময় কাঁধের চোটে পড়েন স্যান্টনার। পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে ৪৪ রানে এক উইকেট নেওয়ার পর বাউন্ডারি সীমানার কাছে ফিল্ডিং করছিলেন তিনি। ওই সময়ই চোটে পড়েন। যার ফলে ব্যাটিংয়ে নামতে পারেননি তিনি। স্যান্টনারের বদলি হিসেবে ব্যাটিং করেছিলেন শার্দুল ঠাকুর।
চলতি মৌসুমে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে চার ম্যাচ খেলার পরই আইপিএল থেকে ছিটকে যেতে হয়েছে তাকে। ৩৪ বছর বয়সি বাঁহাতি স্পিনার দেশে ফেরার পর তার কাঁধের স্ক্যান করানো হয়েছে। যেখানে ‘গ্রেড থ্রি’ এসিএল চোট ধরা পড়েছে। এনজেডসি বিবৃতিতে বলেছে, ‘শুক্রবার সকালে একজন বিশেষজ্ঞ তাকে পর্যবেক্ষণ করার পর কমপক্ষে এক মাস বিশ্রাম ও পুনর্বাসনের মধ্যে থাকতে বলেছেন।’
আইপিএলের জন্য তিনটি করে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি খেলতে বাংলাদেশ সফরে আসেননি স্যান্টনার। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর কিউইদের হয়ে আর কোনো ম্যাচ খেলেননি তিনি। এমনকি চলতি মাসের শেষের দিকে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টেও খেলা হচ্ছে না তার।
পাশাপাশি জুনের শুরুর দিকে লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টেও খেলতে পারবেন না স্যান্টনার। বাঁহাতি স্পিনার দ্বিতীয় ও তৃতীয় টেস্টে খেলতে পারবেন কিনা সেটা পর্যবক্ষণের পর সিদ্ধান্তে নেবে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড। এনজেডসি জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টের জন্য দল ঘোষণা করা হবে।
স্যান্টনারের বদলি হিসেবে কেশভ মহারাজকে দলে নিয়েছে মুম্বাই। সাউথ আফ্রিকার বাঁহাতি স্পিনার জাতীয় দলের হয়ে ৫৪ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। তবে আইপিএলে খুব বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ হয়নি তার। ২০২৪ সালে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে দুইটি ম্যাচ খেলেছিলেন মহারাজ। তবে সিপিএল, বিপিএল, ভাইটালিটি ব্লাস্ট ও সাউথ আফ্রিকার এসএ টোয়েন্টিতে খেলার অভিজ্ঞতা আছে বাঁহাতি স্পিনারের।