ভুল শুধরে বাংলাদেশ নিজেদের শক্তি দেখিয়েছে: স্টার্লিং
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টে দাপুটে জয় পেলেও টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে হারতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে লিটন দাসের দল নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্সে জিতে সিরিজে সমতা ফেরায়।
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টে দাপুটে জয় পেলেও টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে হারতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে লিটন দাসের দল নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্সে জিতে সিরিজে সমতা ফেরায়।
রান তাড়ার চাপ সামলানো স্বভাবতই কঠিন, আর সেটা যদি হয় একাদশে ফেরার ম্যাচে, চ্যালেঞ্জ তখন বেড়ে যায় আরও কয়েকগুণ। তবু সেই অবস্থাতেই ছোট কিন্তু কার্যকর ইনিংস খেলে দলকে জেতানোয় মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনকে বিশেষ কৃতিত্ব দিচ্ছেন শেখ মেহেদী হাসান। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে শেষ পর্যন্ত এই দুজনের ব্যাটেই বাংলাদেশ জয়ের দেখা পায়।
বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচের শেষ দিকে আস্তে আস্তে জয়ের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে আয়ারল্যান্ড। লক্ষ্য ১৭০ রান তাড়ায় বেশির ভাগ সময় এগিয়েই ছিল বাংলাদেশই। কিন্তু মাঝপথে এসে ম্যাচে ঢুকে পড়ে অনিশ্চয়তার ছায়া। ব্যাট হাতে নামার প্রস্তুতি নেয়ার সময় সেই পরিস্থিতিকেই শান্তভাবে গ্রহণ করেন শেখ মেহেদী হাসান। তার ভাবনায় ছিল চাপ সরাতে সঠিক শটটাই যথেষ্ট হবে।
বিপিএল নিলামের আগে কয়েক দফায় বদলানো হয়েছে নিলামে নিবন্ধন করা ক্রিকেটারদের তালিকা। যদিও প্রথম দফায় খুব বেশি পরিবর্তন দেখা যায়নি। তবে নিলামের আগের দিন অর্থাৎ ২৯ নভেম্বর বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের পক্ষ থেকে যে তালিকাটা দেয়া হয়েছে সেটাতে বেশ কিছু রদবদল দেখা গেছে। মাসখানেক আগেই তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ফিক্সিংয়ে অভিযুক্তদের নিলামে রাখা হবে না।
সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশকে ৩৯ রানে হারিয়েছিল আয়ারল্যান্ড। ফলে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জয়ের বিকল্প ছিল না বাংলাদেশের সামনে। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে আগে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ১৭০ রান তুলে আইরিশরা। লিটন দাসের হাফ সেঞ্চুরি ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের ক্যামিওতে ৪ উইকেটে ম্যাচ জিতে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) প্রথম দুই আসরে নিলাম অনুষ্ঠিত হলেও সবশেষ কয়েক আসরে ক্রিকেটার বেচা-কেনা হয়েছে ড্রাফট পদ্ধতিতে। তবে ফ্র্যাঞ্চাইজিদের অনুরোধে কয়েক মৌসুম পর আবারও বিপিএলে নিলাম পদ্ধতি ফেরানো হয়েছে।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) সবশেষ আসরে ঢাকা ক্যাপিটালসের হয়ে খেলেছেন মুস্তাফিজুর রহমান। নতুন মৌসুমে ঠিকানা বদলাচ্ছেন বাংলাদেশের তারকা পেসার। বিপিএলের আগামী মৌসুমে রংপুর রাইডার্সের জার্সিতে খেলতে দেখা যাবে মুস্তাফিজকে। নিলামের আগে সরাসরি চুক্তিতে বাঁহাতি পেসারকে দলে নেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নিলাম থেকে বাদ পড়েছেন এনামুল হক বিজয়, আলাউদ্দিন বাবু, শফিউল ইসলাম, মিজানুর রহমান, নিহাদউজ্জামান, সানজামুল ইসলাম ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। বিসিবি প্রকাশিত নতুন তালিকায় এই ৭ জনের নাম নেই। এরই প্রেক্ষিতে শনিবার সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে এই বিষয়টি নিয়ে খোলাসা করেছে বিসিবি। তারা জানিয়েছে অভিযুক্তদের বাংলাদেশের অন্যান্য ঘরোয়া টুর্নামেন্টে খেলতে বাধা নেই।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) সবশেষ আসরে ফিক্সিংয়ে অভিযুক্ত ছিলেন এমন অভিযোগ যাদের বিরুদ্ধে আছে তাদেরকে নিলামে রাখবে না বিসিবি! কদিন আগেই এমনটা জানিয়েছিল বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। মাঝে খানিকটা গড়িমসি করলেও শেষ পর্যন্ত সন্দেহের তালিকায় থাকা ক্রিকেটারদের নাম সরিয়ে নিয়েছে তারা। অভিযোগের জেরে নিলাম থেকে ৭ জনের নাম সরিয়ে নিয়েছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল।
রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে রবিবার হবে বিপিএলের এবারের আসরের নিলাম। এর আগে ফিক্সিংয়ে সন্দেহভাজন বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারকে বাদ দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে নিলামের চূড়ান্ত তালিকায় আরও বেশ কিছু পরিবর্তন এসেছে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পক্ষ থেকে আগেই জানানো হয়েছিল বিপিএলে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ রয়েছে যাদের বিরুদ্ধে তাদের বাদ দেয়া হবে। এই বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা ছিল যুব ক্রীড়া মন্ত্রণালয়েরও। তবে অভিযুক্ত ক্রিকেটারদের নিয়েই বিপিএলের প্রাথমিক নিলাম তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নিলাম অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৩০ নভেম্বর। এই নিলামে নাম দিয়েছেন শ্রীলঙ্কার ৫০ ক্রিকেটার। এর মধ্যে নাম রয়েছে শ্রীলঙ্কার তারকা পেসার মাথিশা পাথিরানার।