ভারতের এই দলকে হারানো কঠিন: স্টোকস
পরপর দুই টেস্টে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন বেন স্টোকস। লর্ডসের পর ম্যানচেস্টারেও সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক। কিন্তু পুরস্কার পেলেও এবার আর আনন্দ পাননি তিনি। কারণ ম্যাচ জিততে পারেনি তার দল।
পরপর দুই টেস্টে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন বেন স্টোকস। লর্ডসের পর ম্যানচেস্টারেও সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক। কিন্তু পুরস্কার পেলেও এবার আর আনন্দ পাননি তিনি। কারণ ম্যাচ জিততে পারেনি তার দল।
সেঞ্চুরি থেকে তখন ১১ রান দূরে রবীন্দ্র জাদেজা! তিন অঙ্ক ছুঁতে আরেক ব্যাটার ওয়াশিংটন সুন্দরের চাই ২০ রান। ম্যানচেস্টার টেস্টের শেষদিনের শেষ বিকেলে তখনো বাকি ১৫ ওভারের খেলা। এমন সময় ওয়াশিংটন ও জাদেজার কাছে গিয়ে হাত মেলাতে চাইলেন বেন স্টোকস। জয়ের সম্ভাবনা না থাকায় ড্র মেনে নিয়েই ইংল্যান্ডের অধিনায়ক এগিয়ে গিয়েছিলেন, সেটা বুঝতে বাকি থাকার কথা নয়। তবে ভারতের দুই ব্যাটারের কেউই হাত মেলালেন না। পরোক্ষণেই আম্পায়ারের কাছে গিয়ে নিজেদের সিদ্ধান্তের কথা জানালেন স্টোকস। তাতেও কাজ হলো না।
ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ লেজেন্ডসে আগের ম্যাচেই ইংল্যান্ড চ্যাম্পিয়ন্সের বিপক্ষে ৪১ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন এবি ডি ভিলিয়ার্স। পরের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া চ্যাম্পিয়ন্সের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করলেন ৩৯ বলে। হেডিংলিতে ব্রেট লি, স্টিভ ও’কেফি, ড্যান ক্রিস্টিয়ানদের উপর তাণ্ডব চালিয়ে ৪৬ বলে ১২৩ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছেন সাউথ আফ্রিকা চ্যাম্পিয়ন্সের অধিনায়ক।
চতুর্থ দিনের শেষ বিকেলে থেকেই মাটি কামড়ে উইকেটে পড়েছিলেন শুভমান গিল। প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডের চেয়ে ৩১১ রানে পিছিয়ে থাকার সঙ্গে রানের খাতা খোলার আগেই ২ উইকেট হারানো ভারতকে উদ্ধার করতে ওমন ব্যাটিংয়ের বিকল্প ছিল না ডানহাতি ব্যাটারের। শেষের দিনের সকালে ১৯২ বলে ৯০ রানে পৌঁছান ভারতের অধিনায়ক। নব্বই ছোঁয়ার পর আবারও সাবধানী হয়ে উঠলেন গিল। সেঞ্চুরি পেতে পরের ১০ রান করলেন ৩৬ বলে।
ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল। সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে মাত্র ছয় বলে বাঁচাতে হতো সাত রান। হাতে ছিল ছয় উইকেট। এমন সমীকরণে সাধারণত বোলাররা ভরসা করেন ইয়র্কারে। কিন্তু ম্যাট হেনরি বেছে নিয়েছেন একদম ভিন্ন পথ। কোনোপ্রকার ইয়র্কার ছাড়াই দলকে শিরোপা এনে দিয়েছেন তিনি।
টেস্ট ক্রিকেটে রানের দিক থেকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবস্থানে উঠে এসেছেন জো রুট। গত শুক্রবার একদিনেই তিনি টপকে যান রাহুল দ্রাবিড়, জ্যাক কালিস ও রিকি পন্টিংকে। বর্তমানে রুটের সামনে শুধুই শচিন টেন্ডুলকার, যার সংগ্রহ ১৫,৯২১ রান। রুট পিছিয়ে রয়েছেন দুই হাজার ৫১২ রানে।
এশিয়া কাপের সূচি চূড়ান্ত হওয়ার পর আবারও আলোচনায় এসেছে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ। আসন্ন সেপ্টেম্বর মাসে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় ভারত ও পাকিস্তান রয়েছে একই গ্রুপে। ১৪ সেপ্টেম্বর মুখোমুখি হবে দুই দল।
এশিয়া কাপ কোন সময়ে আয়োজিত হবে সেই প্রশ্ন উঠেছিল সাম্প্রতিক সময়ে। তবে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি) প্রধান মহসিন নাকভি শনিবার নিশ্চিত করেছেন এই প্রতিযোগিতা শুরু হচ্ছে ৯ সেপ্টেম্বর। সম্ভাবনা রয়েছে এশিয়া কাপে তিনবার মুখোমুখি হতে পারে ভারত ও পাকিস্তান।
সিরিজের আগের ম্যাচে রেকর্ড গড়া সেঞ্চুরি করেছিলেন টিম ডেভিড। তার ৩৭ বলের সেঞ্চুরিতে ভর করে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ২১৪ রান অনায়াসে তাড়া করে অস্ট্রেলিয়া। সেই জয়ে সিরিজ নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে তাকে বিশ্রামে রাখে দল। তবে তার অনুপস্থিতিতেও লক্ষ্য বড় হলেও খুব একটা সমস্যায় পড়েনি অস্ট্রেলিয়া।
৩১১ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করতে নেমে প্রথম ওভারেই বিপদে পড়ে ভারত। ক্রিস ওকসের পরপর দুই বলে ইয়াশভি জয়সাওয়াল ও সাই সুদর্শান ফিরে যান শূন্য রানে। তবে প্রথম সেশন কাটিয়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় সেশনে পরিস্থিতি সামলে নিয়েছেন লোকেশ রাহুল ও শুভমান গিল।
জ্যাকব ডাফি ও জাকারি ফকসের দুই ওভারে ডেওয়াল্ড ব্রেভিস ও জর্জ লিন্ডে মিলে এনেছেন ৩০ রান। ত্রিদেশীয় সিরিজে চ্যাম্পিয়ন হতে শেষ ওভারে সাউথ আফ্রিকার প্রয়োজন ৭ রান। ব্রেভিস ও লিন্ডে উইকেটে থাকায় কাজটা সহজই হওয়ার কথা ছিল প্রোটিয়াদের। অথচ শেষ ওভারে বোলিংয়ে এসে রোমাঞ্চ ছড়ালেন ম্যাট হেনরি। ডানহাতি পেসারের প্রথম বলে রান বের করতে না পারায় ব্রেভিস হয়ত একটু চাপেই পড়ে যান। পরের বলে বড় শট খেলে প্রায় ৬ রান পেয়েই গিয়েছিলেন ব্রেভিস। তবে একদম সীমানায় দাঁড়িয়ে দুর্দান্ত এক ক্যাচ নিলেন মাইকেল ব্রেসওয়েল।
সবশেষ কয়েক বছরে নিয়মিতই চোটের সঙ্গে লড়াই করতে হচ্ছে জসপ্রিত বুমরাহকে। শরীরের উপর চাপ কমাতে ইংল্যান্ড সফরে ডানহাতি পেসারকে তিন টেস্ট খেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। হেডিংলি ও লর্ডসের পর ম্যানচেস্টার টেস্টে খেলছেন তিনি। তবে সিরিজের চতুর্থ টেস্টে প্রত্যাশিত বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে চেপে ধরতে পারেননি বুমরাহ। হেডিলিং ও লর্ডসের তুলনায় ম্যানচেস্টার টেস্টে গতি কমে যাওয়ায় তাকে নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন অনেকে। মোহাম্মদ কাইফ মনে করেন, এভাবে চলতে থাকলে দ্রুতই টেস্ট থেকে অবসর নিতে পারেন বুমরাহ।