পাহাড়সম রান তাড়ায় সুবিধা করে উঠতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। স্বাগতিক ব্যাটারদের কেউই পঞ্চাশ ছুঁতে পারেননি। জিম্বাবুয়েকে ৮৪ রানে হারিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ জিতল অস্ট্রেলিয়া। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের পর দেশের বাইরে ওয়ানডে সিরিজ জিতল তারা। সবশেষ পাকিস্তান ও বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ হেরেছে অজিরা।
হারারে স্পোর্টস ক্লাবে রান তাড়ায় পুরো ম্যাচ জুড়ে সুবিধা করতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। দলের বেশিরভাগ ব্যাটার রানের দেখা পেলেও কেউই হাফ সেঞ্চুরি করতে পারেননি। স্বাগতিকদের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৫ রানের ইনিংস খেলেছেন সিকান্দার রাজা। এ ছাড়া ব্রেন্ডন টেলর ৩৯, ক্রেইগ আরভিন ৩৮, ইনোসেন্ট কাইয়া ৩৪, বেন কারান ৩০, মাধেভেরে ২৬ ও ব্রায়ান বেনেট ২৩ রান করেছেন। তবুও ২৭২ রানে থামতে হয়েছে তাদের। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দুইটি করে উইকেট নিয়েছেন জশ হ্যাজেলউড, কনোলি, ম্যাট রেনশ ও অ্যাডাম জাম্পা।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা অস্ট্রেলিয়াকে দুর্দান্ত শুরু এনে দেন মার্শ ও হেড। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে পাওয়ার প্লেতে বিনা উইকেটে ৭৮ রান তোলেন তারা দুজন। ইনিংসের শুরু থেকেই আক্রমণাত্বক ব্যাটিং করছিলেন হেড। প্রথম ওয়ানডেতে মাত্র ৪ রান করলেও দ্বিতীয় ম্যাচে ৩২ বলেই হাফ সেঞ্চুরি করেন বাঁহাতি ওপেনার। একটু পর হাফ সেঞ্চুরি করেছেন মার্শও। অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক পঞ্চাশ ছুঁয়েছেন ৫২ বলে।
হাফ সেঞ্চুরির একটু পরই ফিরতে হয়েছে তাকে। ওয়েলিংটন মাসাকাদজার বলে বোল্ড হয়েছে ফিরতে হয়েছে মার্শ। তিনটি করে চার ও ছক্কায় ৬৩ বলে ৫৩ রান করেছেন ডানহাতি এই ওপেনার। অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়কের বিদায়ে ভাঙে হেডের সঙ্গে ১৩০ রানের উদ্বোধনী জুটি। মার্শ না পারলেও সেঞ্চুরি করেন হেড। ৭৫ বলে তিন অঙ্ক ছুঁয়েছেন তিনি। ২০২৫ সালের আগষ্টের পর ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি করলেন হেড। সেঞ্চুরির পর অবশ্য ইনিংসটা আর টানতে পারেননি বাঁহাতি ওপেনার।
১৫ চার ও তিন ছক্কায় ৮৪ বলে ১১২ রানের ইনিংস খেলে ওয়েসলি মাধেভেরের বলে রায়ান বার্লকে ক্যাচ দিয়েছেন। হেড ফেরার পর ৫১ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন কনোলি। বাঁহাতি ব্যাটারেরও সেঞ্চুরি করার সুযোগ ছিল। তবে ৬৯ বলে ৭৮ রানের ইনিংস খেলে ব্র্যাড ইভান্সের বলে আউট হয়েছেন তিনি। বাকিদের মধ্যে অ্যালেক্স ক্যারি ২০, জশ ইংলিস ২১ রান করলে ৬ উইকেটে ৩৫৬ রানের পুঁজি পায় অস্ট্রেলিয়া। জিম্বাবুয়ের হয়ে তিনটি উইকেট নিয়েছেন ইভান্স।