সম্প্রতি ইংল্যান্ড সফরে পিতৃত্বকালীন ছুটিতে থাকায় টেস্ট সিরিজে খেলতে পারেননি ডাফি। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ দিয়ে দলে ফিরছেন তিনি। এদিকে টেস্টে অতিরিক্ত কাজের চাপের কারণে বিশ্রামে রাখা হয়েছে ম্যাট হেনরি, উইল ও'রুর্কে ও কাইল জেমিসনকে। এছাড়া ইনজুরির কারণে ছিটকে গেছেন বেন সিয়ার্স, তার বদলি হিসেবে দলে এসেছেন বেন লিস্টার।
ফলে ডাফির সঙ্গে পেস আক্রমণে থাকছেন নাথান স্মিথ, ক্রিস্টিয়ান ক্লার্ক, অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা ম্যাট ফিশার এবং লিস্টার। এই তুলনামূলক অনভিজ্ঞ পেস ইউনিটের সবচেয়ে অভিজ্ঞ সদস্য ডাফিকেই নেতৃত্ব দিতে হবে।
প্রথম ওয়ানডের আগে স্যান্টনার বলেন, 'গত কয়েক বছরে আমরা দেখেছি ডাফি কতটা ভালো করেছে। সুযোগ পেলেই সে নিজেকে প্রমাণ করেছে। এবার সে আমাদের পেস আক্রমণের মূল ভরসা। তার পাশে কয়েকজন তরুণ বোলার আছে, তাই নেতৃত্বের দায়িত্বও তার কাঁধেই থাকবে।'
তিনি আরও বলেন, 'কিছুদিন পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর পর আবার খেলতে নামতে পেরে সে রোমাঞ্চিত। অল্প সময়ের মধ্যে আমাদের পাঁচটি ম্যাচ খেলতে হবে। তাই বোলারদের কাজের চাপও সামলাতে হবে। এখানকার গরম ও আর্দ্র আবহাওয়া শারীরিকভাবে বেশ ক্লান্তিকর হতে পারে। এজন্য পুরো স্কোয়াডকেই অবদান রাখতে হবে।'
সাম্প্রতিক আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর শিরোপাজয়ী দলের সদস্য ছিলেন ডাফি। ওয়ানডেতে সর্বশেষ তিনি খেলেছেন ২০২৫ সালের নভেম্বরে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেই। এখন পর্যন্ত ১৯টি ওয়ানডেতে ২৪.২৫ গড়ে ৩৫ উইকেট নিয়েছেন তিনি। তার ইকোনমি রেট ৫.৯০।
বাংলাদেশের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হারের পর ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়েই ক্যারিবীয় সফরে নেমেছে নিউজিল্যান্ড। স্যান্টনার মনে করেন, ইনজুরি ও বিশ্রামের কারণে কয়েকজন নিয়মিত পেসার না থাকায় দলের বেঞ্চ শক্তি যাচাইয়েরও সুযোগ তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, 'ইনজুরি ও কিছু খেলোয়াড়ের অনুপস্থিতির কারণে আমাদের স্কোয়াডের গভীরতা যাচাই করার সুযোগ এসেছে। এই দল নিয়ে আমরা রোমাঞ্চিত। পেস, স্পিন ও ব্যাটিং সব বিভাগেই আমাদের ভালো বিকল্প রয়েছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ নিজেদের মাঠে খুবই শক্তিশালী এবং এখানকার কন্ডিশনের সঙ্গে তারা ভালোভাবেই অভ্যস্ত।'
সিরিজের প্রথম তিনটি ওয়ানডে হবে গায়ানার প্রভিডেন্সে। শেষ দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে বার্বাডোজের ব্রিজটাউনে। দুই ভেন্যুর কন্ডিশন ভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে বলেও মনে করেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক।
এ প্রসঙ্গে স্যান্টনার বলেন, 'ঘরের বাইরে খেলতে গেলে প্রতিটি দলকেই ভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর সব সময়ই কঠিন। গায়ানার উইকেট সাধারণত কিছুটা ধীরগতির হলেও ফ্লাডলাইটে ভিন্ন আচরণ করতে পারে। আবার বার্বাডোজের কন্ডিশন একেবারেই আলাদা। আমরা সব সময় পরিস্থিতির সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করি এবং এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না।'