বেন স্টোকসের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণায় ম্যাচের শেষ দিনটি আবেগঘন হয়ে উঠলেও মাঠের লড়াইয়ে কোনো ছাড় দেয়নি নিউজিল্যান্ড। ৩৭৩ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইংল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপ শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায়। শেষদিকে জেমি স্মিথের লড়াকু ফিফটি কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তুললেও সেটি জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না।
চতুর্থ দিনের ৪ উইকেটে ১০৩ রান নিয়ে শেষ দিনের খেলা শুরু করে ইংল্যান্ড। জয়ের জন্য তখনও প্রয়োজন ছিল আরও ২৭০ রান। দিনের শুরুটা জো রুট ভালো করলেও তৃতীয় ওভারেই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয় নিউজিল্যান্ড। নাথান স্মিথের বলে টম ব্লান্ডেলের দুর্দান্ত ক্যাচে ১০ রান করে ফেরেন এমিলিও গে। একই ওভারে হেনরি নিকোলসের অসাধারণ ফিল্ডিংয়ে রানআউট হন রুট। ১৮ রান করে সাজঘরে ফেরার পর ১১৬ রানেই ষষ্ঠ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে ইংল্যান্ড।
এরপর জেমি স্মিথ ও গাস অ্যাটকিনসন সপ্তম উইকেটে ৭৫ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেন। অ্যাটকিনসন ৭০ বল খেলে ১৯ রান করেন। অন্যপ্রান্তে জেমি স্মিথ আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন। তবে মধ্যাহ্ন বিরতির ঠিক আগে স্যান্টনারের লেগ বিফোরের শিকার হয়ে অ্যাটকিনসন ফিরলে আবারও চাপে পড়ে স্বাগতিকরা।
বিরতির পর নিউজিল্যান্ডের জয়ের জন্য দরকার ছিল মাত্র তিনটি উইকেট। নাথান স্মিথ দ্রুত জফরা আর্চার ও জশ টংকে ফিরিয়ে ইংল্যান্ডের শেষ প্রতিরোধও ভেঙে দেন। অন্যদিকে জেমি স্মিথ স্যান্টনারের এক ওভারে টানা তিনটি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে নিজের অর্ধশতক পূর্ণ করেন। তবে শেষ হাসিটা হাসেন স্যান্টনারই। বাঁহাতি এই স্পিনারের বলেই ৬০ রান করে আউট হন জেমি। তার বিদায়ের সঙ্গে ২১২ রানেই গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ডের ইনিংস।
এর ফলে ১৬০ রানের দাপুটে জয়ে সিরিজ নিজেদের করে নিয়ে পিছিয়ে থেকেও দারুণভাবে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে কিউইরা।