চেন্নাইয়ের যাত্রার শুরু থেকেই দলের সঙ্গে আছেন ফ্লেমিং। ২০০৮ সালে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির প্রথম আসরে যুক্ত হওয়ার পর ২০০৯ সাল থেকে প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। সাম্প্রতিক ব্যর্থতার কারণে সমর্থকদের একাংশ পরিবর্তনের দাবি তুললেও ম্যানেজমেন্ট এখনো ফ্লেমিংয়ের ওপরই ভরসা রাখছে।
সাম্প্রতিক দুই মৌসুমে চেন্নাইয়ের পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক। ২০২৫ মৌসুমে পয়েন্ট তালিকার তলানিতে শেষ করেছিল দলটি। সর্বশেষ মৌসুমেও তারা শেষ করেছে অষ্টম স্থানে। এরপরও ফ্লেমিংকে সরানোর কোনো পরিকল্পনা নেই ফ্র্যাঞ্চাইজির।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফ্লেমিংয়ের চুক্তি প্রতি বছর নবায়ন করা হয়। আগের বছরের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এবারও তার চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে মৌসুম পর্যালোচনা করে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সিদ্ধান্ত নেয়ার কথাও রয়েছে চেন্নাইয়ের।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন ফ্লেমিং। সেখানে চেন্নাইয়ের আরেক ফ্র্যাঞ্চাইজি টেক্সাস সুপার কিংসের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। একই সঙ্গে চলমান প্রতিযোগিতায় দলটির কার্যক্রমও তদারকি করছেন।
ফ্লেমিংকে দায়িত্বে রেখে দেয়ার সিদ্ধান্তে মহেন্দ্র সিং ধোনির প্রভাবও স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। প্রায় দুই দশক ধরে ধোনি ও ফ্লেমিং একসঙ্গে কাজ করছেন। ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে অধিনায়ক ও কোচ হিসেবে তাদের জুটি সবচেয়ে সফলদের মধ্যে একটি হিসেবে বিবেচিত হয়।
আগামী মৌসুমকে সামনে রেখে কয়েকজন ক্রিকেটারকে নিয়ে আগ্রহের কথা শোনা গেলেও এখন পর্যন্ত কাউকে ছাড়ার ইঙ্গিত দেয়নি চেন্নাই। ফ্র্যাঞ্চাইজিটির অবস্থান স্পষ্ট, এই মুহূর্তে তাদের কোনো ক্রিকেটার বিনিময়ের জন্য উন্মুক্ত নয়।