সেই সঙ্গে এবং প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় হঠাৎ ডোপ পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত থাকতে হয়। ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত পরীক্ষার সময় দুই ক্রিকেটারকে পাওয়া যায়নি এবং টেস্ট মিস করার কোনো ব্যাখ্যাও তারা দেননি। ফলে এটি তাদের প্রথম আনুষ্ঠানিক ‘পরীক্ষা মিস’ হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে।
একটি সূত্র পিটিআইকে বলেছে, ‘সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়দের নোটিশ পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিষয়টি বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই) এবং ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) জানানো হয়েছে।’
অ্যান্টি ডোপিং নীতিমালা অনুযায়ী, রেজিস্টার্ড টেস্টিং পুলে থাকা খেলোয়াড়দের সবসময় নিজেদের অবস্থানের তথ্য হালনাগাদ রাখতে হয়, যাতে পরীক্ষা করা যেকোনো সময় তাদের কাছে পৌঁছাতে পারেন। একবার টেস্ট মিস করলে সেটিকে সতর্কবার্তা হিসেবে ধরা হয়।
নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তিনবার এমন ঘটনা ঘটলে সেটি ডোপিং নীতিমালা লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে এবং এজন্য নিষেধাজ্ঞার মুখেও পড়তে পারেন কোনো খেলোয়াড়। বিসিসিআই নাডার পাঠানো নোটিশ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বোর্ড জানিয়েছে, তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখবে।
বিসিসিআইয়ের একটি সূত্র বলেছে, ’হ্যাঁ, নাডার কাছ থেকে টেস্ট মিসের নোটিশ পেয়েছি। কীভাবে এটি ঘটেছে, তা আমরা যাচাই করব এবং ভবিষ্যতে যেন এমন ঘটনা না ঘটে, সেজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে ক্রিকেট ফেরার কথা থাকায় বিষয়টি নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে। এর ফলে কঠোর অ্যান্টি ডোপিং নিয়ম মেনে চলার প্রয়োজনীয়তাও বেড়েছে। বর্তমানে নাডার রেজিস্টার্ড টেস্টিং পুলে ১৩ জন ভারতীয় ক্রিকেটার রয়েছেন। তাদের মধ্যে শুভমান গিল, হার্দিক পান্ডিয়া, জসপ্রিত বুমরাহ ও ঋষভ পান্তও আছেন।