শুরুতে কয়েকটি ম্যাচে ধারাবাহিক ব্যর্থতার কারণে একাদশের বাইরে যেতে হয়েছিল অ্যালেনকে। তবে দলে ফিরে দ্বিতীয় ম্যাচেই ব্যাট হাতে দারুণ প্রত্যাবর্তন করলেন তিনি। কঠিন পরিস্থিতিতে দায়িত্ব নিয়ে খেলে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে দেন এই ব্যাটার। ১৪৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৪৭ বলে পাঁচটি চার ও ১০টি ছক্কায় অপরাজিত ১০০ রান করেন অ্যালেন।
ম্যাচ শেষে আজিঙ্কা রাহানে বলেন, 'অ্যালেনের জন্য আমি খুব খুশি। প্রথম চার-পাঁচ ম্যাচে ও সমস্যায় ছিল। এরপর কঠোর পরিশ্রম করে দলে ফিরেছে। আজ যেভাবে খেলেছে, সেটা দেখেও খুব ভালো লাগছে।'
তবে শুধু ব্যাটিং নয়, দলের জয়ের পেছনে বোলারদের অবদানও আলাদা করে উল্লেখ করেছেন কলকাতার অধিনায়ক। বিশেষ করে মাঝের ওভারে এবং শেষ ভাগে নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখার কৃতিত্ব দিয়েছেন তিনি বোলারদেরই।
ম্যাচে ৩১ রান খরচায় দুই উইকেট নেন অনুকুল রয়। নারিন চার ওভারে ১৭ রান খরচায় নেন এক উইকেট। আর বরুণ চক্রবর্তী উইকেট না পেলেও মাত্র ২৮ রান দেন চার ওভারে।
রাহানে বলেন, 'আমি বোলারদের প্রশংসা করতেই চাই। ওদের জন্যই আমরা ধারাবাহিকভাবে ভালো খেলছি। আমাদের তিন স্পিনারই দারুণ বল করেছে। যদিও মাঠের খেলায় আরও উন্নতি দরকার। আমাদের মাঠের খেলার প্রশিক্ষক খুব কঠোর, সেটাই সাহায্য করছে।'
দলের ঘুরে দাঁড়ানোর পেছনেও বোলিং বিভাগের বড় ভূমিকা দেখছেন রাহানে। তিনি বিশেষভাবে প্রশংসা করেছেন অনুকূল এবং কার্তিক ত্যাগীর। পাশাপাশি বোলিং কোচ টিম সাউদি ও ডোয়াইন ব্রাভোর কাজের কথাও তুলে ধরেছেন কলকাতার অধিনায়ক।
রাহানে আরও বলেন, 'প্রথম কয়েকটি ম্যাচে হারলেও আমরা খারাপ খেলিনি। একটু বেশি সচেতনতা আর পরিশ্রম দরকার ছিল। অনুকূল ঘরোয়া ক্রিকেটে খুব ভালো খেলেছে। কার্তিকের মানসিকতাও দারুণ। আর নারিনকে নিয়ে আলাদা করে কিছু বলতে হয় না। ও সব সময় দলের জন্য প্রস্তুত থাকে, তরুণদেরও সাহায্য করে।'