২০২৬ মৌসুমের আইপিএল শুরুর আগে নেয়া এই সিদ্ধান্তকে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি তাদের কৃতজ্ঞতার প্রকাশ হিসেবে দেখছে। গত মৌসুম শেষে দল থেকে বিদায় নিলেও রাসেল ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গেই থেকে যান। বর্তমানে ‘পাওয়ার কোচ’ হিসেবে দলে আছেন তিনি।
এই পরিবর্তনের মাধ্যমেই কার্যত আইপিএলে তার খেলোয়াড়ি ক্যারিয়ারের ইতি ঘটে। দীর্ঘ সময় ধরে কেকেআরের জার্সিতে মাঠ মাতানো এই ক্যারিবিয়ান তারকা দলের ইতিহাসে নিজস্ব এক জায়গা তৈরি করে নিয়েছেন।
সংখ্যার দিক থেকেও রাসেলের প্রভাব স্পষ্ট। ১৪০ ম্যাচে তার সংগ্রহ দুই হাজার ৬৫১ রান, যেখানে স্ট্রাইক রেট ১৭৪.১৭। পাশাপাশি বল হাতে তিনি নিয়েছেন ১২৩টি উইকেট, যা তাকে পূর্ণাঙ্গ অলরাউন্ডার হিসেবে আলাদা মর্যাদা দিয়েছে।
কেকেআরের শিরোপা জয়ের পথেও বড় অবদান ছিল তার। ২০১৪ ও ২০২৪ সালে দলের ট্রফি জয়ের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি, বিশেষ করে চাপের মুহূর্তে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতায়।
দলের সিইও ভেঙ্কি মাইশোর বলেন, ‘রাসেলের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অনেক গভীর। মাঠে তার পারফরম্যান্স আমাদের অসংখ্য আনন্দ দিয়েছে। ১২ নম্বর জার্সিটি তার পরিচয়ের অংশ হয়ে গেছে। তাই তাকে সম্মান জানাতে আমরা এই নম্বরটি অবসর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
প্রতিক্রিয়ায় রাসেল বলেন, ‘কেকেআরের সঙ্গে এই দীর্ঘ যাত্রা আমার জন্য অসাধারণ। দুটি শিরোপা জেতা এবং দলের ভালোবাসা পাওয়া, সবকিছুই ভোলার মতো নয়। এই সম্মানের জন্য আমি কৃতজ্ঞ।’
আইপিএলে জার্সি নম্বর অবসর দেওয়ার এই ধারা নতুন নয়; এর আগে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স কিংবদন্তি শচিন টেন্ডুলকারের ১০ নম্বর জার্সিও একইভাবে অবসর ঘোষণা করেছিল।