জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ছিলেন না শরিফুল। যদিও একই দলের বিপক্ষে দুটি ওয়ানডেতে খেলেছেন বাঁহাতি এই পেসার। সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৫০ রান খরচায় উইকেটশূন্য ছিলেন শরিফুল।
যদিও তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে ৪৪ রানে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। এদিকে ধারণা করা হচ্ছে শরিফুলের সেরে উঠতে প্রায় দুই থেকে তিন সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।
চোটের কারণে বৃহস্পতিবারই বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা ছিল শরিফুলের। দেশে ফিরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের চিকিৎসক দলের তত্ত্বাবধানে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু করবেন তিনি।
পুনর্বাসনের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের পরই প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে তার ফেরার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বাংলাদেশের পেসারদের একাংশ লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে মাতাবেন। তবে শরিফুল কোনো দল পাননি এলপিএলে।