যদিও দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েনের কারণে শুরু থেকেই সিরিজটি অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিল। বিশেষ করে গত বছরের পরিস্থিতি সেই অনিশ্চয়তা আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। তবে গত মাসে ভারত বাংলাদেশে নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে দিনেশ ত্রিবেদীকে নিয়োগ দেয়ার পর আশার সঞ্চার হয়।
পেশাদার কূটনীতিকের পরিবর্তে একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদকে এই দায়িত্ব দেওয়ায় ইতিবাচক বার্তাও দেখেছিলেন অনেকে। যদিও সিরিজটি নিয়ে শঙ্কার কথা জানিয়েছে ক্রিকেট ভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজ। তারা জানিয়েছে ভারতের বাংলাদেশ সফর নিয়ে এখনও বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতা রয়েছে।
দুই সপ্তাহ আগেও সিরিজটি নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হওয়ার ইঙ্গিত মিলেছিল। ক্রিকবাজ তখন জানিয়েছিল বিসিবি সিরিজটির টেলিভিশন ও ডিজিটাল সম্প্রচার স্বত্ব বিক্রির জন্য দরপত্র আহ্বান করেছে। তবে ১৩ দিন পর পরিস্থিতি বদলে গেছে। বিসিবি আপাতত পুরো প্রক্রিয়াই স্থগিত করে দিয়েছে।
বিসিবির পক্ষ থেকে তখন জানানো হয়েছিল সিরিজটির টেলিভিশন ও ডিজিটাল সম্প্রচার স্বত্বের দরপত্র গ্রহণ ২২ জুলাই পর্যন্ত চলবে। কিন্তু আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় ‘এক্সপ্রেশন অব ইন্টারেস্ট’ (ইওআই) নথি প্রকাশ করা হয়নি। এতে বিশেষ করে ভারতের সম্প্রচার প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, আদৌ সিরিজটি হবে কি না।
ক্রিকবাজকে বিসিবির এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা এখনো ইওআই নথি প্রকাশ করিনি, কারণ পরিকল্পনায় সামান্য পরিবর্তন এসেছে। দরপত্র আহ্বানের আগে আমরা বাজার পরিস্থিতি মূল্যায়ন করছি। ভারত সিরিজের কারণে ইওআই আটকে রাখা হয়েছে, বিষয়টি ঠিক নয়।’
ক্রিকবাজ ধারণা করছে কোনো আলোচনা ছাড়াই সিরিজের সম্প্রচার স্বত্ব বিক্রির উদ্যোগ ভালোভাবে নেয়নি বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই)। আরেকটি ধারণা অনুযায়ী, স্কটল্যান্ডের এডিনবরায় অনুষ্ঠিত আইসিসির বার্ষিক সম্মেলনে দুই বোর্ডের কর্মকর্তাদের মধ্যে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে দুই বোর্ডই এই বিষয়টি নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।