৪ ওভার বোলিংয়ের সঙ্গে ৭ নম্বরে ব্যাটিং, এমন অলরাউন্ডারের খোঁজ চান লিটন

বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ
সংবাদ সম্মেলনে লিটন দাস, বিসিবি
সংবাদ সম্মেলনে লিটন দাস, বিসিবি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শুরুটা ভালো না হলেও একপ্রান্ত আগলে রেখে সামলে নিয়েছিলেন লিটন। তবে সব এলোমেলো করে দিয়েছে বৃষ্টি। ৩ উইকেটে ৫০ রান থেকে বাংলাদেশ কিউইদের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অল আউট হয়েছে ১০২ রানে। এর মধ্যে বাংলাদেশ সর্বশেষ ১৪ রানেই হারিয়েছে ৫ উইকেট।

এই ব্যর্থতার পেছনে লিটন দাস দায় দিয়েছেন নিচের সারির ব্যাটারদের। সিরিজ শুরুর আগেই লিটন জানিয়েছিলেন নিচের দিকের ব্যাটারদের কাছ থেকে রান চান তিনি। সিরিজের প্রথম ম্যাচে নিচের সারির ব্যাটারদের ব্যাটিংয়ের প্রয়োজন পড়েনি। দ্বিতীয় ম্যাচটি ভেসে যায় বৃষ্টিতে। তৃতীয় ম্যাচে লোয়ার অর্ডার ব্যাটাররাই ব্যর্থ হয়েছেন।

শেখ মেহেদী ৭ রান করে অপরাজিত থাকলেও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন শূন্য রানে আউট হন। ৫ রান করেন রিশাদ হোসেন, শরিফুল ফিরে যান ২ রান করে। রিপন মন্ডলও রানের খাতা খুলতে পারেননি। লিটন সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট জানিয়েছেন তার হাতে পাঁচ জন বোলার নেয়া ছাড়া বিকল্প নেই। উল্টো সাংবাদিকদের কাছে তিনি সাত নম্বর ব্যাটার যিনি কিনা বোলিংও পারেন এমন অলরাউন্ডারের খোঁজ দিতে বললেন।

তিনি বলেন, 'আপনি যদি সাত নম্বরে একজন ব্যাটসম্যান খেলান, তাহলে আপনার চার ওভার পূরণ করতে পারব না। খেলাই তো এগারো জনের। এর ভেতর পাঁচ জন বোলিং করবে বিশ ওভারের কোটায়। টি-টোয়েন্টিতে একজন তো পাঁচ ওভার করতে পারবে না। তাই পাঁচ জন বোলারকে তো আমার খেলাতেই হবে। যদি বাংলাদেশে এরকম কোনো খেলোয়াড় থাকে আপনার চোখে, যে সাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি চার ওভার বোলিং করতে পারবে, তাহলে বইলেন আমরা খুঁজে দেখব।'

এবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলেনি বাংলাদেশ। আগামী বছর নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ায় বসবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর। সেই বিশ্ব আসরকে সামনে রেখে এখন থেকেই পরিকল্পনা সাজাচ্ছেন লিটন। দলের নিয়মিত ব্যাটারদের পারফরম্যান্সে বেশ সন্তুষ্ট বাংলাদেশ অধিনায়ক।

তিনি ব্যাটারদের প্রশংসা করে বলেন, 'আমাদের যে ছয় জন ব্যাটসম্যান নিয়মিত খেলে তারা খুবই ভালো অবস্থায় আছে। টি-টোয়েন্টিতে আপনাকে এটা মেনে নিতে হবে যে প্রতিদিন আপনি প্রথম বল থেকে মারতে পারবেন না। দু-একজন ব্যাটসম্যান এখানে ব্যর্থ হবেই। আমার আর হৃদয়ের খেলাটা যদি শেষ পর্যন্ত চলত, তাহলে হয়তো ভিন্ন কিছু হতে পারত।'

লিটন নিজের কাঁধেই কিছুটা দায় নিয়েছেন। তিনি ৬০-৭০ রান করলে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত বলেও দাবি বাংলাদেশ অধিনায়কের, 'টি-টোয়েন্টিতে খেলে ১১ জন কিন্তু পারফর্ম করে মূলত দুজন বোলার ও দুজন ব্যাটসম্যান। আমি যদি সেখান থেকে ৬০-৭০ রান করতে পারতাম তাহলে গল্পটা অন্যরকম হতো। যারা রিশাদ হোসেন, শেখ মেহেদী, সাকিব আল হাসান বা সাইফউদ্দিন খেলছে, তাদের কাছ থেকে আমরা একটু ব্যাটিং আশা করি।'

আরো পড়ুন: