গত বছরের অক্টোবরে নির্বাচন জিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতির দায়িত্ব নিয়েছিলেন বুলবুল। একই নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন তামিমও। মনোনয়ন পত্রও কিনেছিলেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক। তবে সরকারি হস্তক্ষেপ ও কারসাজির অভিযোগ এনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছিলেন তিনি। তামিমের পাশাপাশি ১৫ থেকে ২০ জন ক্রীড়া সংগঠক নিজেদের সরিয়ে নেন।
তবুও নির্বাচন আয়োজন করে বিসিবির নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করেন বুলবুল-ফারুক আহমেদরা। তবে দেশের সরকার পরিবর্তনের পর এনএসসিতে অভিযোগ করেন তামিমরা। সেটার জের ধরে পাঁচ সদস্যের স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করে তারা। নির্বাচনে অনিয়ম খুঁজে পাওয়ায় বুলবুলের বোর্ড ভেঙে তামিমের নেতৃত্বে এডহক কমিটি গঠন করে এনএসসি।
সেই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেই হাইকোর্টে রিট করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী গোলাম কিবরিয়াসহ সাত আইনজীবী। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট আবেদন করেন। এডহক কমিটি গঠন ‘অবৈধ’ ঘোষণার নির্দেশনার পাশাপাশি কমিটি গঠনে জারি করা প্রজ্ঞাপনের ওপর স্থগিতাদেশও চাওয়া হয়েছে আবেদনে। আগামী সপ্তাহে রিটের শুনানি হবে।
বিসিবির এডহক কমিটিতে তামিম ছাড়াও সাবেক ক্রিকেটার হিসেবে আছেন মিনহাজুল আবেদিন নান্নু ও আতহার আলী খান। এ ছাড়া বিভিন্ন সময় বিসিবির পরিচালনা পর্ষদে থাকা তানজিল চৌধুরী, মির্জা সালমান ইস্পাহানি, রফিকুল ইসলাম ও ফাহিম সিনহা আছেন এডহক কমিটিতে। তাদের বাইরে রাশনা ইমাম, মির্জা ইয়াসির আব্বাস, সাঈদ ইব্রাহিম আহমদ ও ইসরাফিল খসরু কমিটিতে আছেন।