বিসিবির সবশেষ নির্বাচনে অংশ নিতে চেয়েছিলেন তামিম। মনোনয়ন পত্র জমা দিলেও পরবর্তীতে সরকারি হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক। দেশের সরকার পরিবর্তনের পর বিসিবি নির্বাচনে হওয়া সরকারি হস্তক্ষেপ ও কারসাজি নিয়ে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে (এনএসসি) অভিযোগ দেন তামিমরা। সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখতে পাঁচ সদস্যের স্বাধীন তদন্ত কমিটিও গঠন করে এনএসসি।
অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আমিনুল ইসলাম বুলবুল ও ফারুক আহমেদের বোর্ড ভেঙে এডহক কমিটি গঠন করে তারা। সেই কমিটির প্রধানের দায়িত্ব পান তামিম। এডহক কমিটির প্রধান হয়েই দেশের ক্রিকেট এগিয়ে নিতে কাজ করেছেন তিনি।
পদত্যাগের সিদ্ধান্ত না নেয়ার ব্যাপারে গণমাধ্যমকে তামিম বলেন, 'পদত্যাগের কথা আমি ব্যক্তিগতভাবে চিন্তা করিনি, আমি অবশ্যই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব। গঠনতন্ত্রে যেটা অনুমোদন দেবে আমি সেটাই অনুসরণ করব।'
এখনো পর্যন্ত বেশ কিছু ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। গ্যালারিতে দর্শকদের স্বস্তি ফেরাতে নানান উদ্যোগের সঙ্গে ক্রিকেটারদের ঘরোয়া ম্যাচ ফি ও বেতন বাড়িয়েছেন। এ ছাড়া দুই দশকের পুরনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ‘বল বয়’ ফিরিয়েছেন।
এখনো পর্যন্ত বেশিরভাগ কাজেই ইতিবাচকতা দেখিয়েছেন তামিম। তবে বিসিবির কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি সাবেক অধিনায়কের প্রধান দায়িত্ব তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করা। কদিন আগে তামিম নিজেই নিশ্চিত করেছেন আগামী জুনে বিসিবি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দায়িত্ব নেওয়ার দিনই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণাও দিয়ে রেখেছিলেন তিনি।