সানজিদা আক্তার মেঘলা, নাহিদা আক্তার, রাবেয়া খানদের স্পিন জাদুতে নুইয়ে পড়লো ফাতিমা সানার দল। আয়েশা জাফরের বিদায়ের পর ধস নামে পাকিস্তান শিবিরে। মাত্র ১৪ রানের ব্যবধানে ৬ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ ছিটকে যায় তারা। তবে দুর্দান্ত বোলিংয়ে ম্যাচে ফেরার পাশাপাশি ২৩ রানের জয়ও পেয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা। চলতি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তিন ম্যাচে এটি নিগার সুলতানা জ্যোতিদের দ্বিতীয় জয়।
সাউদাম্পটনে টস জেতা বাংলাদেশের শুরুটা একদমই ভালো হয়নি। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ফেরেন দিলারা আক্তার দোলা। একই ওভারে আউট হয়েছেন ছন্দে থাকা শারমিন আক্তার সুপ্তাও। এক ওভারে দুই উইকেট হারানোর ধাক্কা সামলে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি বাংলাদেশের মেয়েরা। পাওয়ার প্লে শেষের আউট ড্রেসিং রুমে ফেরেন জুয়াইরিয়া ফেরদৌসও।
১৩ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর বাংলাদেশকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন সোবহানা মোস্তারি ও জ্যোতি। তাদের দুজনের জুটি ভেঙেছে ১৯ বলে ২২ রান করা সোবহানার বিদায়ে। একটু পর আউট হয়েছেন রিতু মনিও। অধিনায়ক জ্যোতি আউট হয়েছেন ইনিংসের শেষের দিকে। সাদিয়া ইকবালের বলে আউট হওয়ার আগে ৩৮ বলে ৩৬ রান করেছেন বাংলাদেশের অধিনায়ক।
শেষের দিকে বাংলাদেশের রানটা বেড়েছে স্বর্ণার কল্যাণে। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ২২ বলে অপরাজিত ৩৯ রানের ইনিংস খেলেন স্বর্ণা। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে শেষ ৪ ওভারে ৪৩ রান তোলে বাংলাদেশ। স্বর্ণার ওমন ক্যামিও ইনিংসেই ১২৩ রানের পুঁজি পায় বাংলাদেশের মেয়েরা। পাকিস্তানের হয়ে ফাতিমা দুইটি উইকেট নিয়েছেন।
রান তাড়ায় পাকিস্তানের শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। বিনা উইকেটে ৪৯ রান তুলে বাংলাদেশকে চাপে ফেলে পাকিস্তান। দুই ওপেনার কয়েক ওভারে ব্যবধানে ফিরলে খানিকটা স্বস্তি পায় জ্যোতির দল। যদিও সমীকরণ পাকিস্তানের পক্ষেই ছিল। তবে মেঘলা, নাহিদা, রাবেয়ার দুর্দান্ত বোলিংয়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং ইউনিটকে ধসিয়ে দেয় বাংলাদেশ। ২ উইকেটে ৭০ রান তোলা পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত অল আউট হয় ১০০ রানে। বাংলাদেশের হয়ে তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন নাহিদা ও মেঘলা।