হার্দিকের চোটের বিষয়টি শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) স্ক্যান রিপোর্টে নিশ্চিত হয়। আইপিএলের পর থেকেই বেঙ্গালুরুর বিসিসিআই সেন্টার অব এক্সিলেন্সে অনুশীলন করছিলেন তিনি। আফগানিস্তান সিরিজের আগে ফিল্ডিং অনুশীলনের সময় হাঁটুর আশপাশে ব্যথা অনুভব করেছিলেন। পরে ফিটনেস পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় একই সমস্যা ফিরে এলে করা স্ক্যানে নতুন চোট ধরা পড়ে।
বিষয়টি নিয়ে দ্য হিন্দুকে দেওয়া বক্তব্যে বিসিসিআইয়ের এক সূত্র বলেন, ‘এটি খুবই দুর্ভাগ্যজনক। হার্দিকের সর্বশেষ স্ক্যান রিপোর্টে ডান পায়ের শিনে চোট ধরা পড়েছে। তাকে দুই সপ্তাহ সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিসিসিআইয়ের মেডিকেল প্যানেলের প্রধান চিকিৎসক দিনশ পারদিওয়ালা তার রিপোর্ট দেখেছেন। জাপান থেকে ফেরার পর তিনি হার্দিককে পরীক্ষা করবেন এবং কবে থেকে পুনর্বাসন শুরু করা যাবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।’
নতুন চোটে শুধু নিউজিল্যান্ড সফরই নয়, সামনে থাকা আরও কিছু পরিকল্পনা বদলাতে হচ্ছে। ৬ অক্টোবর থেকে অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলের বিপক্ষে ভারত ‘এ’ দলের ওয়ানডে সিরিজে খেলার কথা ছিল তার। এশিয়ান গেমসে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতিও চলছিল। এর আগে ২০ সেপ্টেম্বরকে হার্দিকের সম্ভাব্য মাঠে ফেরার তারিখ হিসেবে ধরা হয়েছিল।
গত চার মাসে এটি হার্দিকের তৃতীয়বার চোটে পড়া। এর আগে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজও চোটের কারণে মিস করেছিলেন তিনি। ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি যখন ধীরে ধীরে শুরু হচ্ছে, তখন নিয়মিত ফিট থাকা ভারতের এই অলরাউন্ডারের জন্য বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এখনই হার্দিকের ফেরার নির্দিষ্ট সময় জানায়নি বিসিসিআই। দুই সপ্তাহের বিশ্রাম শেষে চিকিৎসকদের মূল্যায়নের পর শুরু হবে পুনর্বাসন। এরপর তার ফিটনেসের ওপর নির্ভর করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ, বিজয় হাজারে ট্রফি কিংবা সৈয়দ মুশতাক আলি ট্রফিতে ফেরার সুযোগ তৈরি হতে পারে।