বিসিসিআইয়ের সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া জানিয়েছেন, সভাটি খুব অল্প সময়ের নোটিশে ডাকা হয়েছিল। তখন আগরকার শহরের বাইরে থাকায় সভায় যোগ দিতে পারেননি। এমনকি যে এলাকায় তিনি ছিলেন, সেখান থেকে অনলাইনেও সভায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ ছিল না বলে জানিয়েছেন সাইকিয়া।
তিনি বলেন, ‘আজ তিনি শহরের বাইরে ছিলেন, তাই সভায় অংশ নিতে পারেননি। খুব অল্প সময়ের নোটিশে সভাটি ডাকা হয়েছিল। আমাদের নির্বাচক প্যানেলের চেয়ারম্যান অজিত তখন শহরে ছিলেন না। অনলাইনেও যুক্ত হওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু তিনি এমন একটি এলাকায় ছিলেন, যেখানে অনলাইনে যোগ দেওয়ার সুযোগ ছিল না।’
কয়েক দিন আগেই আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের দল ঘোষণা করেছে বিসিসিআই। এই দল নির্বাচনে বড় ভূমিকা ছিল আগারকারের। তার নেতৃত্বেই অনলাইন সভায় দল নির্বাচক করে ভারত। তবে বিসিসিআইয়ের রিভিউ সভায় তাকে না দেখা যাওয়ায় জল্পনা শুরু হয়েছে তাকে নির্বাচক কমিটি থেকে সরিয়ে দেয়ার ব্যাপারে।
যদিও বিসিসিআই সচিব এমন কোনো সম্ভাবনার কথা নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবারের সভায় কোনো দল নির্বাচনের বিষয়েই আলোচনা হয়নি। সাইকিয়া বলেন, ‘আজ কোনো নির্বাচনী সভা ছিল না। আজকের সভায় এ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।’
ভারতের সাবেক অধিনায়ক রোহিত শর্মাকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্কের পর থেকেই প্রধান নির্বাচকের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, নির্বাচকেরা রোহিতকে অবসর নেয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। পরে সেই সিদ্ধান্তে বিসিসিআই হস্তক্ষেপ করে বলে খবর প্রকাশিত হয়।তবে বর্তমানে আগরকারের পদে কোনো পরিবর্তন আসছে না বলেই জানা যাচ্ছে।
একাধিক সূত্রের দাবি, তিনি তার বর্তমান মেয়াদ শেষ করবেন। আগামী বছরের জুলাইয়ে তার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। এমনকি ২০২৭ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত তার মেয়াদ বাড়াতে পারে বিসিআই। যদিও এই বিষয়টিও নির্ভর করছে অনেক যদি কিন্তুর ওপর। আগারকারকে নিয়ে চলমান গুজব প্রসঙ্গে সাইকিয়া যোগ করেন, ‘আমি গুজব ছড়ানো মানুষদের জন্য কোনো খোরাক দিতে চাই না।’