ব্রেন্ডন ম্যাককালামের জায়গায় ইংল্যান্ডের টেস্ট দলের দায়িত্ব নিয়েছেন ফ্লেমিং। পাকিস্তানের বিপক্ষে চলমান সিরিজে অবশ্য তিনি দায়িত্বে নেই, অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান কোচ হিসেবে কাজ করছেন মার্কাস ট্রেসকোথিক। ফ্লেমিংয়ের অধীনে ইংল্যান্ডের প্রথম সিরিজ হবে বছরের শেষ দিকে সাউথ আফ্রিকা সফরে, যেখানে তিনটি টেস্ট খেলবে দলটি।
চেন্নাই সুপার কিংসে দীর্ঘদিন একসঙ্গে কাজ করেছেন ফ্লেমিং ও হাসি। বর্তমানে দলটির ব্যাটিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করা হাসিকে ইংল্যান্ডের কোচিং স্টাফে যোগ দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন ফ্লেমিং। তবে হাসির ভাষ্য অনুযায়ী, প্রস্তাবটি এখনো আনুষ্ঠানিক নয়। নিজের দেশের বিপক্ষে আসন্ন অ্যাশেজে ইংল্যান্ডের কোচিং করাতেও আপত্তি নেই তার।
হাসি বলেন, 'কথা হয়েছে (ফ্লেমিংয়ের সঙ্গে)। এখানে অনেক কিছুই বিবেচনা করার আছে। আমার সংক্ষিপ্ত উত্তর হলো, আমি সত্যি কোনো কিছুতেই না বলব না।'
কোচিংয়ের প্রতি নিজের ভালোবাসার কথাও জানিয়েছেন হাসি। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৭৯ টেস্টে ছয় হাজারের বেশি রান করা সাবেক এই ব্যাটার ২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের ব্যাটিং পরামর্শক ছিলেন।
হাসি আরো বলেন, 'আমি এই খেলাটির কোচিং দিকটা ভালোবাসি। খেলোয়াড়দের আরও ভালো হতে সাহায্য করার চেষ্টা করতে ভালোবাসি। তারা অস্ট্রেলিয়ান, ইংলিশ, সাউথ আফ্রিকান, পাকিস্তানি বা ভারতীয়- যে দেশেরই হোক না কেন, এতে আমার কোনো আপত্তি নেই।'
তবে অ্যাশেজে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের হয়ে কাজ করাটা যে আলাদা অনুভূতির হবে, সেটিও স্বীকার করেছেন হাসি। আগামী গ্রীষ্মে ইংল্যান্ডের মাটিতে হবে অ্যাশেজের পরবর্তী আসর, 'অ্যাশেজ সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের হয়ে কোচিং করানোটা নিঃসন্দেহে কিছুটা অদ্ভুত লাগবে। তবে এটাই যদি হয় আপনার কাজ এবং আপনি সেটাই করেন, তবে আপনাকে তা চালিয়ে যেতে হবে।'
সম্প্রতি ইংল্যান্ডের একশ বলের প্রতিযোগিতা দ্য হান্ড্রেডে ওয়েলস ফায়ারকে কোচিং করিয়ে দেশে ফিরেছেন হাসি। বর্তমানে ছুটিতে থাকা এই সাবেক ব্যাটার জানিয়েছেন, প্রস্তাবটি নিয়ে তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেবেন না।
'স্টিভেন ফ্লেমিংয়ের সঙ্গে আমার খুব ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে এবং এরও একটি প্রভাব আছে। পরিবার থেকে দূরে থাকাটা আমার জন্য একটি বড় বিষয়। আমি এখনই হ্যাঁ বা না বলার মতো অবস্থানে নেই। আমি কোনো সিদ্ধান্তে তাড়াহুড়ো করব না।'