বিশ্বকাপের চলতি আসরে ব্যাটে-বলে পারফর্ম করছেন পেরি। অস্ট্রেলিয়ার ফাইনালে ওঠার পেছনে দারুণ অবদান রেখেছেন তিনি। বাংলাদেশের বিপক্ষে ২ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ১৯ রান করে ম্যাচসেরা হয়েছিলেন। পরবর্ততীতে পাকিস্তান ও ভারতের বিপক্ষেও ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছিলেন। দুই ম্যাচে পেয়েছিলেন হাফ সেঞ্চুরিও।
পুরো আসর জুড়ে তারকা অলরাউন্ডার ৪৬.২৫ গড়ে ১৮৫ রান করেছেন। এ ছাড়া পেস বোলিংয়ে পেরির শিকার ৪ উইকেট। ভারতকে সেমিফাইনালে তুলতে না পারলেও ব্যাট হাতে ছন্দে ছিলেন মান্ধানা। পাকিস্তান ও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে হাফ সেঞ্চুরি করা বাঁহাতি ওপেনার ৪১ গড়ে ২০৫ রান করেছেন।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে করেছিলেন ৩৮ রান। ইংল্যান্ডকে ফাইনালে তোলার পথে ব্যাট হাতে ছন্দে ছিলেন ড্যানি ওয়াট। বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেছিলেন। ৩৫ বছর বয়সী ডানহাতি এই ওপেনার ৭৩.৫ গড় ও ১৫২.৩৩ স্ট্রাইক রেটে ২৯৪ রান করেছেন। ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ জিততে পারলে টুর্নামেন্ট সেরা হওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে থাকবেন তিনি।
বিশ্বকাপ জুড়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পরও সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছে সাউথ আফ্রিকাকে। প্রোটিয়াদের হয়ে ৩১ গড়ে ১২৪ রান করার পাশাপাশি ১৪.৩৭ গড়ে নিয়েছেন ৮ উইকেট। ভারতের বিপক্ষে ম্যাচসেরার পুরস্কারও জিতেছেন তিনি। এ ছাড়া সেমিফাইনালে ওঠার পথে অপরাজিত ৮১ রানের ইনিংসও খেলেছিলেন ৩৬ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার।