ট্রেন্ট ব্রিজে ২ উইকেটে ২২৩ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নেমে সকালের শুরুতেই হোঁচট খায় ইংল্যান্ড। দিনের দ্বিতীয় ওভারেই ফেরেন রুট। নাথান স্মিথের ফুলার লেংথ ডেলিভারিতে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে পড়তে হয় তাকে। ৪৬ বলে ২১ রান করে ফিরেছেন ডানহাতি এই ব্যাটার। পরের ওভারে আউট হয়েছেন বেথেলও। উইলিয়াম ও’রুর্কির অফ স্টাম্পের বাইরে বলে দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন বাঁহাতি এই ব্যাটার।
৯ চারে ১৩৩ বলে ৭৪ রানের ইনিংস খেলে ফিরতে হয় বেথেলকে। উইকেটে থিতু হতে পারেননি স্মিথও। ডানহাতি উইকেটকিপার ব্যাটার ১ রানে আউট হয়েছেন স্মিথের বলে। দ্রুতই তিন উইকেট হারানোর পর ব্রুক ও বেন স্টোকস মিলে প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। যদিও তাদের দুজনের ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে দেননি। স্টোকস ও ব্রুকের ৫৪ রানের জুটি ভাঙেন জাকারি ফকস। ডানহাতি পেসারের বলে বোল্ড হয়েছেন তিনি।
ইংল্যান্ডের অধিনায়ককে ফিরতে হয় ৩৩ বলে ১৫ রান করে। ৬৬ বলে হাফ সেঞ্চুরি করা ব্রুক আউট হয়েছেন ৫৮ রানের ইনিংস খেলে। শেষের দিকে আর কেউই সেভাবে দাঁড়াতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ৩৫৪ রানে অল আউট হয় ইংল্যান্ড। নিউজিল্যান্ডের হয়ে চারটি উইকেট নেন স্মিথ। তিনটি করে উইকেট পেয়েছেন ও’রুর্কে এবং ফকস। ৮৪ রানের লিড নিয়ে আবারও দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামে কিউইরা।
যদিও শুরুটা একদমই ভালো হয়নি সফরকারীদের। ইনিংসের প্রথম ওভারেই ফেরেন টম লাথাম। একটু পর আউট হয়েছেন ডেভন কনওয়ে। প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করলেও দ্বিতীয় ইনিংসে বলার মতো কিছু করতে পারেননি। ৪১ বল খেললেও ১৬ রানের বেশি করতে পারেননি হেনরি নিকোলস। ৫১ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর জুটি গড়েন রাচিন রবীন্দ্র ও ড্যারিল মিচেল। দুজনে মিলে দিনের খেলা শেষ করেছেন। ৬০ রানে রাচিন ও মিচেল অপরাজিত আছেন ২৬ রানে।