এবারের আইপিএলেও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে খেলছেন কামিন্স। সিডনি মর্নিং হেরাল্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাকে তিন বছরের একটি চুক্তির প্রস্তাব দেয়া হয়েছে, যেখানে প্রতি বছর তিনি পাবেন ৪০ লাখ মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪৯ কোটি টাকা)।
এর আগে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল, আইপিএলের একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি তাকে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলা ছেড়ে দিয়ে বৈশ্বিক টি-টোয়েন্টি লিগগুলোতে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য ১ কোটি অস্ট্রেলিয়ান ডলারের (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮৯ কোটি টাকা) প্রস্তাব দিয়েছিল।
এ প্রসঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট প্রধান জেমস অলসপ সিডনি মর্নিং হেরাল্ডকে বলেন, ‘অবশ্যই। তারা বহু বছর ধরে সব ফরম্যাটে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করেছে। বর্তমান সীমাবদ্ধতার মধ্যে তাদের জন্য খুব বেশি কিছু করা যায় না। তবে এটি এখন আমাদের বড় অগ্রাধিকার।’
তিনি আরও বলেন, ‘এটি সত্যিই কঠিন ভারসাম্যের বিষয়। আমরা জানি, যেসব খেলোয়াড় সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক মূল্য তৈরি করে, তাদের ওপরই বাজারের চাপ সবচেয়ে বেশি। প্যাট, জশ হ্যাজলউড ও ট্রাভিস হেডের মতো বহু ফরম্যাটের খেলোয়াড়দের চাহিদা অনেক বেশি। তাই তাদের অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটে ধরে রাখা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
কামিন্সের এই বাড়তি পারিশ্রমিক তিনি কত ম্যাচ খেলবেন, তার ওপর নির্ভর করবে না। এখন দেখার বিষয় আইপিএলের মতো জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের লোভনীয় চুক্তি ছেড়ে দেশের হয়ে লম্বা সময় খেলার চুক্তি করেন কিনা কামিন্স। এর ফলে অস্ট্রেলিয়ার এই অধিনায়কে আইপিএলের মতো আসরে আর নাও দেখা যেতে পারে।