বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার সুযোগ তৈরি হলেও সুপার এইট থেকে বিদায় নিতে হয়েছে পাকিস্তান। সবশেষ কয়েকটি আইসিসির টুর্নামেন্টে প্রত্যাশিতভাবে পারফর্ম করতে পারেনি তারা। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় শেষ হওয়া বিশ্বকাপ শেষে ক্রিকেটারদের চোট পরীক্ষা করেছেন মেডিক্যাল প্যানেলের ডিরেক্টর যুক্তরাজ্যভিত্তিক চিকিৎসক জাভেদ মুঘল।
সেই সময় বাবর ও ফখরের চোট শনাক্ত করেন। পরবর্তীতে নির্বাচক আকিব জানান, চোট নিয়েই বিশ্বকাপ খেলেছেন দলের সিনিয়র দুই ক্রিকেটার। জানানো হয়েছে, তারা দুজন ইনজুরিতে থাকলেও বিশ্বকাপের আগে সেটা সামনে আনা হয়নি। দলের ফিজিও ক্লিফ ডিকনের দিকেও আঙুল উঠছে।
এ প্রসঙ্গে পিসিবির এক কর্মকর্তা বলেন, ‘বিশ্বকাপের পর যখন বাবরের পরীক্ষা করা হয়, তখন চোট অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। প্রথমে হালকা চোট ছিল। ফখরও একই রকম চোটে ভুগছে কয়েক মাস ধরে। ওদের চোটগুলো নতুন নয়। টানা খেলে যাওয়াতেই চোট গুরুতর হয়ে গিয়েছে।’
বিশ্বকাপ খেললেও বাংলাদেশ সফরের দলে রাখা হয়নি ফখরকে। মূলত চোটের কারণেই বাংলাদেশ সফরের ওয়ানডে দলে রাখা হয়নি বাঁহাতি ব্যাটারকে। খেলেননি ন্যাশনাল টি-টোয়েন্টি কাপেও। তবে গত ১৫ মার্চ ফিটনেস পরীক্ষা পাশ করে যাওয়ায় পাকিস্তানের ঘরোয়া টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছেন।
ফিল্ডিংয়ের কয়েকটি ছবি পোস্ট করে ফখরের ফিটনেস ইস্যুতে দলে তার অন্তর্ভুক্তি ও নির্বাচক প্যানেলকে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আব্দুর রউফ খান। সামাজিক যোগাযোগামাধ্যম এক্স-এ পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটারের মন্তব্যের জবাব দেন ফখর। বাঁহাতি ব্যাটার জানান, ৫০ ওভারের ক্রিকেট খেলার মতো ফিট ছিলেন না তিনি।
ফখর বলেন, ‘আব্দুর রউফ ভাই আমি ৫০ ওভারের ক্রিকেট খেলার জন্য ফিট ছিলাম না। এ ক্ষেত্রে আকিব জাভেদ সঠিক ছিল। ১৫ মার্চ ফিটনেস টেস্টে উত্তার্ণ হওয়ার পরই আমি এই ম্যাচটা খেলেছি।’