টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নামে লাহোর। দলের হয়ে দেখেশুনে খেলতে থাকেন শ্যামল হুসেইন ও শায়ান জাহাঙ্গীর। ধীরগতির ব্যাটিংয়ে অবশ্য সুবিধা করে উঠতে পারেননি শ্যামল। তিনে নেমে দ্রুতই ফিরেছেন আব্দুল্লাহ শফিকও। একটু পর আউট হয়েছেন শায়ানও। আগের ম্যাচে দুর্দান্ত ব্যাটিং করা ডানহাতি ওপেনার ভাইপার্সের বিপক্ষেও শুরুটা ভালো করেছিলেন।
তবে এক ছক্কা ও দুই চারে ২৮ রান করে থামতে হয়েছে তাকে। চারে নেমে লাহোরের হাল ধরেন ইমন।
পার্থ স্কচার্স একাদশের বিপক্ষে ব্যাট হাতে জ্বলে উঠতে পারেননি বাংলাদেশি এই ব্যাটার। আউট হয়েছিলেন ৯ বলে মাত্র ৩ রান করে। ভাইপার্সের সঙ্গে অবশ্য একই ভুল করলেন না তিনি।
উইকেট বুঝে সেটা অনুযায়ী খেলার চেষ্টা করলেন। প্রান্ত বদল করার পাশাপাশি বাউন্ডারি মেরে লাহোরের চাপ কমিয়েছেন ইমন। তাকে দারুণভাবে সঙ্গ দিচ্ছিলেন ফারহান ইউসুফ। তবে তাকে ইনিংস বড় করতে দেননি ভিতেল লয়েস।
ফারহান আউট হওয়ার পর মাইকেল ব্রেসওয়েলকে সঙ্গে নিয়ে দলের রান বাড়াতে থাকেন ইমন। পাশাপাশি একের পর এক বাউন্ডারিতে হাফ সেঞ্চুরির পথে হাঁটতে থাকেন। তবে পঞ্চাশ ছোঁয়া হয়নি ইমনের। শেষ পর্যন্ত সমান তিনটি করে ছক্কা ও চারে ৩৩ বলে ৪৭ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন তিনি। শেষের দিকে ব্রেসওয়েল ২৩ বলে ৪৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেললে ১৭৬ রানের পুঁজি পায় লাহোর।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৭০ রানের ওপেনিং জুটি গড়েন কাইল মেয়ার্স এবং অ্যান্ড্রিস গাউস। ২৮ বলে ৩০ রান করা মেয়ার্সকে উসামা মির ফেরানোর পরই একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে ভাইপার্স। পরের ৬৮ রানের মধ্যে আটটি উইকেট হারায় দলটি।
রাইলি রুশো ৯, সাইতেজা মুকামাল্লা ০, শাদাব খান ১৩ এবং ব্যাভন জ্যাকবস শুন্য রানে ফিরে যান। ১৩৮ রানে থামে দলটি। মাত্র ২৩ রান খরচায় চারটি উইকেট নেন উসামা। দুটি করে উইকেট নেন শাহাব খান ও মেহরান মুমতাজ।