মাঝারি লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরু থেকেই উইকেট হারিয়েছে পার্থ। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ ৪১ রানের ইনিংস খেলেছেন উসমান খান। ওপেনার আন্দ্রে ফ্লেচারের ব্যাট থেকে আসে ৩৫ রান। এর বাইরে বলার মতো রান করেছেন কেবল ডিয়ান ফরেস্টার। তিনি ২৩ রান করে আউট হন। লাহোরের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন মোহাম্মদ ইমরান ও উসামা মীর। একটি করে উইকেট নেন মিচেল ব্রেসওয়েল ও আলী শাব্বির।
এর আগে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে লাহোরকে প্রত্যাশিত শুরু এনে দিতে পারেননি শায়ান জাহাঙ্গীর ও শামিল হুসেইন। দুজনে মাত্র ১৯ রান যোগ করতে পেরেছেন ওপেনিং জুটিতে। শুরুতে লাহোর হারায় শামিলের উইকেট। পাকিস্তানি এই ব্যাটার মাত্র ৪ রান করে আউট হন।
ব্রোডি কাউচের ফুল লেংথের অফ স্টাম্পের বাইরের বলটি সোজা মাঠের ওপর দিয়ে মারতে চেয়েছিলেন তিনি। তবে ঠিকঠাক টাইমিং করতে পারেননি তিনি বল চলে যায় সোজা মিড অফে অ্যাস্টন টার্নারের হাতে। ওয়ান ডাউনে শায়ানের সঙ্গে যোগ দেন আব্দুল্লাহ শফিক। এই দুজনের ব্যাটে পাওয়ার প্লেতেই ৪৪ রান তুলে নেয় লাহোর।
এরপর অ্যাস্টন অ্যাগার বোল্ড করেন ১২ রান করা আব্দুল্লাহ শফিককে। ফলে দুজনের জুটি ভাঙে ৩৮ রানে। তৃতীয় উইকেটে শায়ানের সঙ্গে যোগ দেন ইমন। যদিও তিনি বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ডি আর্কি শর্টের বলে টার্নারকে ক্যাচ দিয়ে মাত্র ৯ বলে ৩ রান করেই ফেরেন ইমন।
মিড উইকেটে এক হাতে দৃষ্টিনন্দন ক্যাচ নেন টার্নার। এরপর শায়ান ফিরে যান হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে ৬৫ রানের ইনিংস খেলেন। যদিও পঞ্চম উইকেটে ফারহান ইউসুফ ৩২ রান যোগ করেন ব্রেসওয়েলকে নিয়ে। ব্রেসওয়েল ১০ রান করে আউট হলে ফারহান আরও ৩২ রান যোগ করেন ইমরানকে নিয়ে।
শেষদিকে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেয়ার পরই ২৩ বলে ৫০ রান করে ফেরেন ফারহান। তবে উসামা ও মেহরান মুমতাজ মিলে লাহোরের সংগ্রহ ১৭১ রানে নিয়ে যান শেষ পর্যন্ত। পার্থের হয়ে একাই ৩ উইকেট নেন ঝাই রিচার্ডসন। দুটি উইকেট নেন ব্রোডি কাউচ। আর একটি করে উইকেট নেন অ্যাগার ও শর্ট।