সাঙ্গাকারার ভাষ্য, গৌহাটিতে দলের সঙ্গে দুই সপ্তাহ থাকার সময় অনুশীলনে বৈভবের ব্যাটিং প্রথমবার দেখেন তিনি। নতুন বলে জফরা আর্চার, সন্দীপ শর্মাসহ গতিময় বোলারদের বিপক্ষে ব্যাট করতে যেখানে অনেকেই অনীহা দেখাতেন, সেখানে নির্ভয়ে ব্যাট হাতে নেমে পড়েন কিশোর এই ব্যাটার।
সাঙ্গাকারা বলেন, 'আমি প্রথম বৈভবকে দেখি গৌহাটিতে। নতুন বলে আর্চার, সন্দীপ শর্মাদের মুখোমুখি হওয়ার জন্য যে অনুশীলনের জায়গা ছিল, সেখানে ব্যাট করতে কেউই খুব একটা আগ্রহী ছিল না। কিন্তু বৈভব নিজেই এসে বলল, ‘আমি ব্যাট করব।’ এরপর প্রতিটি শটে ব্যাটের শব্দ যেন গুলির মতো শোনা যাচ্ছিল।'
তিনি আরও বলেন, 'বৈভব আর্চারকে দারুণভাবে খেলেছে, সন্দীপ শর্মাকেও একইভাবে সামলেছে। একসময় মনে আছে, আর্চার নিজেই থেমে হেসে ফেলেছিল। কারণ সে সর্বোচ্চ গতিতে বল করছিল, আর মাত্র ১৪ বছরের একটি ছেলে কোনো ধরনের ভয় ছাড়াই খেলছিল।'
অনুশীলনে সেই ব্যাটিং দেখেই বৈভবকে খেলানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন সাঙ্গাকারা। তাঁর ভাষায়, 'অনুশীলন শেষ হওয়ার পর রাহুল দ্রাবিড়কে আমি বলেছিলাম, ওকে যখন ইচ্ছা খেলাতে পারো। ছেলেটি সত্যিই অসাধারণ।'
রাজস্থানের হয়ে দুই আসর আইপিএল মাতালেও জাতীয় দলে সুযোগ পেয়ে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে একাদশে জায়গা হয়নি বৈভবের। সেই ম্যাচে ১৮৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারত ১৪৮ রানে গুটিয়ে যায়। ফলে স্বাগতিক আয়ারল্যান্ড জয় দিয়ে শুরু করে দুই ম্যাচের এই সিরিজ।