পিএসএলের সেরা একাদশে না থাকলেও এবারের টুর্নামেন্টে আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন এই পেসার। মাত্র পাঁচ ম্যাচে ৯ উইকেট শিকার করে নজর কাড়েন তিনি। ইকোনমিও ছিল দুর্দান্ত, ৫.৪৪। পরিসংখ্যানের বাইরেও টুর্নামেন্টে গতির ঝড় তুলে ব্যাটারদের জন্য আতংকে পরিণত হন নাহিদ।
লিগ পর্বে দুর্দান্ত পারফর্ম করে জাতীয় দলের খেলা থাকায় দেশে ফিরেছিলেন নাহিদ। পরে পেশোয়ারের মালিকের বিশেষ অনুরোধে শুধু ফাইনাল খেলতে পাকিস্তান উড়ে যান তিনি। ফাইনালেও নাহিদ ছিলেন দুর্দান্ত। গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে ফেরান দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে ফেরান শূন্য রানে। ফাইনালে করেন সর্বোচ্চ ১৫টি ডট বল।
টুর্নামেন্টের সেরা একাদশে জায়গা করে নিয়েছেন চ্যাম্পিয়ন পেশোয়ার জালমি ও রানার আপ হায়দরাবাদ কিংসম্যানের তিনজন করে খেলোয়াড়। এছাড়াও লাহোর কালান্দার্স ও ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের দুইজন আর মুলতান সুলতান্স থেকে একজন জায়গা করে নিয়েছেন পিসিবি ঘোষিত এই একাদশে।
চ্যাম্পিয়ন পেশোয়ারকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে এবারের টুর্নামেন্ট নিজের করে নিয়েছেন বাবর। ব্যাট হাতে সর্বোচ্চ ৫৮৮ রান করে সেরা ব্যাটারের স্বীকৃতি হানিফ মোহাম্মদ ক্যাপ জেতেন পেশোয়ার অধিনায়ক। ভাগ বসিয়েছেন ফখর জামানের পিএসএলের এক মৌসুমে করা সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডে।
পেশোয়ার হয়ে এই একাদশে জায়গা পাওয়া বাকি দুইজন কুশল মেন্ডিস ও সুফিয়ান মুকিম। ব্যাট হাতে ৫৫০ রান করেন মেন্ডিস। অন্যদিকে এবারের পিএসএলের সেরা আবিষ্কার ছিলেন বাঁহাতি রিস্ট স্পিনার মুকিম। সর্বোচ্চ ২২ উইকেট নিয়ে টুর্নামেন্টের সেরা বোলারের পাশাপাশি 'ম্যান অফ দ্যা টুর্নামেন্টের পুরস্কারও জেতেন এই স্পিনার।
পাশাপাশি হায়দরাবাদ কিংসম্যানের হয়ে উসমান খান, হাসান খান ও হুনাইন শাহ এবং লাহোর কালান্দার্সের ফখর জামান ও শাহিন শাহ আফ্রিদিও জায়গা পেয়েছেন এই একাদশে। এ ছাড়াও সেরা একাদশে আছেন শাদাব খান, শান মাসুদ, রিচার্ড গ্লিসন। দ্বাদশ খেলোয়াড় হিসেবে আছেন কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্সের হাসান নওয়াজ।
পিএসএলের সেরা একাদশ: বাবর আজম (অধিনায়ক), ফখর জামান, কুশল মেন্ডিস (উইকেটরক্ষক), শান মাসুদ, উসমান খান, শাদাব খান, হাসান খান, শাহীন শাহ আফ্রিদি, হুনাইন শাহ, সুফিয়ান মুকিম ও রিচার্ড গ্লিসন। দ্বাদশ খেলোয়াড়: হাসান নওয়াজ।