এভাবে একের পর এক আধুনিক ক্রিকেটের বিস্ময়কর সব তারকা জন্ম দিয়ে যাচ্ছে ভারত। ভারতীয় কিংবদন্তি রাহুল দ্রাবিড় ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমি (এনসিএ) ঢেলে সাজানোর পর যেন বদলে গেছে পুরো ভারতের ক্রিকেটের চিত্রই। নিজেদের পাইপলাইনকে এমন এক স্তরে নিয়ে গিয়েছে ভারত যাতে করে বিশ্ব ক্রিকেটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মতো একাধিক জাতীয় দল তারা তৈরি করতে পারবে অনায়াসেই।
এভাবে 'ট্যালেন্ট ইকোসিস্টেম'-এর সাফল্যে একের পর এক বিস্ময়কর প্রতিভা বিশ্বের সামনে উপস্থাপ্ন করছে ভারত। ভারতের এমন ক্রিকেটীয় অবকাঠামোতে মুগ্ধ সাবেক বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানও। সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এবিপি নিউজের এক সাক্ষাৎকারে সাকিবকে বর্তমান ক্রিকেট বিশ্বের সবচেয় বড় বিস্ময় সূর্যবংশীর ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে সাকিব কথা বলেন ভারতের ক্রিকেট কাঠামো নিয়ে।
সাকিব বলেন, 'শুধু সূর্যবংশী নয়, ভারতীয় ক্রিকেটে বেশ কিছু নতুন প্রজন্মের ক্রিকেটার উঠে আসছে যারা প্রতিনিয়ত নিজেদেরই ছাড়িয়ে যাচ্ছে। ভারতীয় ক্রিকেটের পাইপলাইন বা অবকাঠামোটাই এমন যে সামনেও ভারত থেকে এমন আরো দারুণ কিছু ক্রিকেটার তৈরি হতে থাকবে।'
ভারতের প্রায় প্রতিটি ক্রিকেটারই উঠে আসছেন নিখুঁত প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে। একেবারে শুরুর পর্যায়ে স্কুল বা লোকাল একাডেমি গুলো থেকে প্রতিভা বাছাই নেয়া হয় জেলা দলে। তারপর থেকে সেরা প্রতিভাগুলোকে নিয়ে যাওয়া হয় সেই রাজ্যের বয়সভিত্তিক দলগুলোতে। সেখান থেকে আরো একাধিক টুর্নামেন্ট খেলে রাজ্য দলের হয়ে রঞ্জি ট্রফি, বিজয় হাজারে ট্রফির মত প্রতিযোগিতামূলক টুর্নামেন্টে খেলেন খেলোয়াড়রা।
তারপর আইপিএলের মত বিশ্বের সেরা ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে নিজেদের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখার সুযোগ হয় তরুণদের। এমন নিখুঁত ইকোসিস্টেমের ফলই সূর্যবংশী, অভিষেকের মত ক্রিকেটাররা।