তিনি জানিয়েছেন, ম্যাচের দিনে ড্রেসিংরুমে ধোনিকে পাশে পেলে ভালো লাগত, তবে এই সিদ্ধান্ত ছিল পুরোপুরি ধোনির নিজের। ধোনি সবসময় দলের কথাই ভাবেন। তিনি মাঠে এলে ক্যামেরা তার দিকেই ফোকাস থাকবে বেশি। দর্শকরাও ধোনিকে নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করবেন। ফলে দলের বাকি ক্রিকেটাররা নিজেদের মতো খেলায় মনোযোগ দিতে পারবেন না।
মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে চেন্নাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে হাসি বলেন, ‘সে একজন দারুণ দলকেন্দ্রিক মানুষ। সে সবসময় দলের জন্য সেরা কী, সেটাই ভাবতে চায়। সে চিন্তিত ছিল যে সে মাঠে এলে কিছুটা বাড়তি বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। স্বাভাবিকভাবেই ক্যামেরা তার দিকেই বেশি থাকবে। দর্শকরা তাকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত হবে। আর সে চেয়েছিল দলটা যেন নিজের মতো করে খেলায় মন দিতে পারে। এটা ঠিক না ভুল, সেটা বলার দায়িত্ব আমার নয়। তবে ধোনি ম্যাচে না আসার পেছনে এই চিন্তাটাই কাজ করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘অবশ্যই সে বাড়িতে বসে খুব মনোযোগ দিয়ে ম্যাচগুলো দেখছে। ব্যক্তিগতভাবে তাকে ড্রেসিংরুমে পেলে ভালো লাগত আমার। সে অনেক অভিজ্ঞতা ভাগ করে, দলের ছেলেদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। সে নিয়মিত অনুশীলনে থাকে, সবসময় প্রাণবন্ত থাকে এবং খেলোয়াড়দের সঙ্গে তার অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেয়। তবে সে নিজেকে দলের জন্য কোনো বিভ্রান্তি হিসেবে দেখতে চায়নি বলেই ম্যাচের দিনে দূরে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
চলতি আইপিএলে ধোনি আবারও মাঠে নামবেন সেই অপেক্ষায় আছেন অনেকেই। দর্শকদের সেই অপেক্ষা খুব বেশি দীর্ঘ হচ্ছে না বলেই ইঙ্গিত দিয়েছেন হাসি। ধোনিও দ্রুত মাঠে নামার জন্য নিজেকে তৈরি রাখছেন বলে জানিয়েছেন হাসি। বিশেষ করে রানিং বিটুইন দ্য উইকেটে দ্রুত হওয়ার অনুশীলন করছেন তিনি।
হাসি যোগ করেন, ‘আগামীকাল (ধোনির খেলা) হবে কি না জানি না, অথবা তার পরের ম্যাচে হতে পারে, তবে সে খুব ভালোভাবে এগোচ্ছে। আমি জানি সে তার দৌড়ানোর গতি বাড়িয়েছে, সেটাই ছিল মূল সমস্যা। ব্যাটিং আর উইকেটকিপিং দক্ষতা নিয়ে আমরা আত্মবিশ্বাসী। কিন্তু ইনিংসের শেষ দিকে দ্রুত এক আর দুই রান নেয়ার জন্য তার দৌড়ানোর সক্ষমতা ঠিক রাখা জরুরি ছিল।'