বেঙ্গালুরুর ইনিংসের অষ্টম ওভারে ব্যাট করছিলেন অধিনায়ক রজত পাতিদার। গুজরাটের পেসার আরশাদ খানের বলে পুল খেলতে গিয়ে ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগ অঞ্চলে ক্যাচ তুলে দেন রজত। সেই ক্যাচ ধরতে দৌড়াতে থাকেন হোল্ডার ও কাগিসো রাবাদা। শেষ মুহূর্তে সংঘর্ষ এড়াতে রাবাদা নিজেকে সরিয়ে নেন। ক্যাচটি তালুবন্দি করলেও নিজের শরীরের ব্যালেন্স ঠিক রাখতে গিয়ে পড়ে যান হোল্ডার।
সেই মুহুর্তেই ক্যাচ সম্পন্ন করছিলেন এই ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার। তখন হাতে থাকা বলটি মাটি স্পর্শ করছে বলেই খালি চোখে মনে হচ্ছিল। মাঠের আম্পায়াররা টিভি আম্পায়ারের শরণাপন্ন হলে তিনিও ক্যাচটিকে বৈধ ঘোষণা করেন। বেঙ্গালুরুর কোচ অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার ও ব্যাটার বিরাট কোহলি তখনও সাইডলাইনে দাঁড়িয়ে চতুর্থ আম্পায়ারের সাথে ক্যাচটি নিয়ে নিজেদের অসন্তোষ জানাচ্ছিলেন।
ম্যাচ শেষে ক্রিকেট ভিত্তিক ওয়েবসাইট ইএসপিএন ক্রিকইনফোর আলোচনায় ক্যারিবিয়ান ধারাভাষ্যকার ইয়ান বিশপ দাবি করেন হোল্ডারের ক্যাচ নিয়ে তার মনেও সন্দেহ আছে। কিন্তু বিশপ বা ক্যাচটি নিয়ে প্রশ্ন তোলা বিশ্লেষকদের সাথে একমত নন অশ্বিন।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে অশ্বিন বলেন, 'জেসন হোল্ডারের হাত আমার হাতের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ বড়। তার হাতে বলটা প্রায় অদৃশ্য হয়ে যায়। তাই তোমরা যদি তার আঙুলের ফাঁক দিয়ে বলটা দেখতে পাও, তার মানে এই নয় যে বলটা মাটিতে লেগেছে। সম্ভবত সে বলটা পুরোপুরি ধরেছিল। হয়তো বলটা মাটিতেই স্পর্শ করেনি।'
'আপনি যদি বেঙ্গালুরুর দিক থেকে দেখেন, তাহলে মনে হতে পারে সে দুর্ভাগা। আবার গুজরাটের দিক থেকে দেখলে এটি একেবারেই পরিষ্কার আউট। কিন্তু আপনি যদি নিরপেক্ষভাবে দেখেন, তাহলে এটি পুরোপুরি বৈধ ক্যাচ।'
পাতিদারের এই উইকেট বড় প্রভাব ফেলে ম্যাচে। ১৯.২ ওভারে ১৫৫ রানে অলরাউট হয় বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বেঙ্গালুরু। শুবমান গিল, জস বাটলারদের ব্যাটে চড়ে ২৫ বল হাতে রেখেই চার উইকেটের জয় পায় গুজরাট। বল হাতে ২৯ রানে দুই উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হন হোল্ডার।