পিএসএলে নতুন নিয়ম— এক ম্যাচে ৪ একাদশ

পিএসএল
পিএসএল
পিএসএল
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
এক ম্যাচে দুই দলের খেলা, অথচ ম্যাচ রেফারির কাছে একাদশ জমা পড়ল চারটি। ব্যতিক্রমী এই ঘটনা দিয়েই শুরু হয়েছে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) নতুন মৌসুম। টসের সময় দুই দলের অধিনায়কের একটি করে একাদশ জমা দেবার কথা থাকলেও শাহীন শাহ আফ্রিদি ও মার্নাশ লাবুশেন দিয়েছেন চারটি একাদশ। শিশিরের বাড়তি সুবিধা এড়াতে প্রতি দলকে দুইটি একাদশ জমা দেওয়ার নিয়ম করে দিয়েছে পিএসএল। লাহোর কালান্দার্স ও হায়দরাবাদ কিংসম্যানের দুই অধিনায়ক সেই নিয়মই অনুসরণ করেছেন।

লাহোর ও হায়দরাবাদের ম্যাচ দিয়ে শুরু হয়েছে পিএসএলের ১১তম আসর। সেই ম্যাচের টসের সময় লাহোর অধিনায়ক শাহীন আফ্রিদি ও হায়দরাবাদ অধিনায়ক লাবুশেন দুটি করে একাদশের তালিকা নিয়ে মাঠে আসেন। টসের পর নিজেদের জমা দেয়া দুটি করে তালিকা থেকে একটি তালিকা বাছাই করে ম্যাচ রেফারিকে জানান দুই অধিনায়ক। পিএসএলের পুরো আসর জুড়েই দেখা যাবে এমন ঘটনা।

চমকপ্রদ এই ঘটনার কারণও আছে বটে। রাতের শিশিরে একটি দল বাড়তি সুবিধা পেতে পারে এমন ভাবনা থেকেই পিএসএলের প্লেয়িং কন্ডিশনে যুক্ত করা হয়েছে নতুন এক নিয়ম। অতিরিক্ত শিশির পড়ার কারণে বল ভিজে গেলে তা গ্রিপ করা কঠিন হয়ে যায় স্পিনারদের জন্য। রাত বাড়ার সাথে সাথে শিশিরের পরিমাণ বাড়ে। স্বাভাবিকভাবেই ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে বোলিং করা দলের জন্য কাজটা তখন আরও কঠিন হয়ে ওঠে।

টসের পর একাদশ পরিবর্তনের সুযোগ না থাকায় দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করা দল বাড়তি সুবিধা পেয়ে যায়। এই সুবিধাটা এতই বেশি যে তা কোনো কোনো ক্ষেত্রে ম্যাচের ফল নির্ধারণী হয়ে দাঁড়ায়। এই বিষয়টি মাথায় রেখেই পিএসএলকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ করতে নতুন এই নিয়ম চালু করেছে কর্তৃপক্ষ। পরে বোলিং করা দল যেন নিজদের সুবিধা মতো স্পিনার কমিয়ে কিংবা ব্যাটার বাড়িয়ে নিতে পারে সেকারণেই টসের পরেও থাকবে একাদশ ঠিক করে নেবার সুযোগ।

পিএসএলের নতুন প্লেয়িং কন্ডিশনের ধারা ১.২.১-এ ‘খেলোয়াড় মনোনয়ন ও প্রতিস্থাপন’ অংশে বলা হয়েছে, টসের আগে প্রতিটি দলের অধিনায়ক লিখিতভাবে ম্যাচ রেফারির কাছে দুইটি ভিন্ন একাদশ জমা দিতে পারবেন। প্রতিটি একাদশে ১১ জন খেলোয়াড় এবং সর্বোচ্চ চারজন বিকল্প ফিল্ডার থাকতে হবে (ধারা ১.২.৫ অনুযায়ী)।

এই ধারায় অরো বলা হয়, টসের পর প্রতিটি অধিনায়ক জমা দেওয়া দুইটি একাদশের মধ্যে একটি চূড়ান্তভাবে নির্বাচন করে সেই একাদশে স্বাক্ষর করবেন। একবার চূড়ান্ত একাদশ নির্ধারণ করা হলে প্রতিপক্ষ দলের অধিনায়কের সম্মতি ছাড়া ম্যাচ শুরুর আগে সেই নির্বাচিত একাদশের কোনো খেলোয়াড় পরিবর্তন করা যাবে না।

আরো পড়ুন: