মূলত তীব্র প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতার কারণে প্রতিপক্ষদের কাছে গম্ভীরকে প্রায়ই ‘ভিলেন’ মনে হয়, তবে এর জন্যই তিনি গভীর সম্মানও পান বলে জানিয়েছেন ডু প্লেসি। সাবেক এই প্রোটিয়া ক্রিকেটারের মতে গম্ভীর কারও কাছে জনপ্রিয় হতে চান না। বরং একজন নেতা হিসেবে তিনি বেশ সুশৃঙ্খল।
ডু প্লেসি বলেন, 'গম্ভীরকে নিয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি অবশ্যই তার সতীর্থদের থেকে আলাদা। প্রতিপক্ষ হিসেবে খেলতে গেলে গম্ভীরকে গল্পের ‘ভিলেন’ মনে হয়, তবে সেটাই তাকে সম্মান করার বড় কারণ। তিনি অত্যন্ত প্রতিযোগিতামুখী এবং কারও কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়ার বিষয়ে এক মুহূর্তও ভাবেন না। একজন নেতার কাজ হলো দলের ভেতরে দলের মান নির্ধারণ করা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।'
আরও যোগ করেন, 'একজন প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে গম্ভীরকে হারানোর ইচ্ছা থাকে, তবে একই সঙ্গে তার প্রতি শ্রদ্ধাও থাকে। একজন ভালো নেতা ঠিক এমনই হন, এবং খেলা শুরু করার পর থেকেই গম্ভীর এই মানসিকতা গড়ে তুলেছেন। তার রেকর্ড দেখলে নেতৃত্বের দিক থেকে কলকাতা নাইট রাইডার্স তার অধীনে আরও শক্তিশালী দল ছিল, তা স্বীকার করতেই হয়।'
গম্ভীর কলকাতা নাইট রাইডার্সের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। তার নেতৃত্বে দলটি ২০১২ ও ২০১৪ সালে আইপিএল শিরোপা জেতে। পরে মেন্টর হিসেবে ফিরে এসে ২০২৪ সালে দলকে তৃতীয় শিরোপা এনে দেন তিনি। ২০২৪ সালে মেন্টর হিসেবে সাফল্যের পর গম্ভীর দল ছেড়ে ভারতের জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেন।