এর মধ্যে রয়েছেন স্টার্কও। আইপিএলের শেষের অংশে তিনি খেলতে পারবেন কিনা তা নিয়েও রয়েছে ধোঁয়াশা। ধারণা করা হচ্ছে ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের অংশ হিসেবেই স্টার্ককে আইপিএল থেকে বিরত রাখছে অস্ট্রেলিয়া। সর্বশেষ অ্যাশেজে তিনি সিরিজের পাঁচটি টেস্টেই খেলেছেন।
এরপর বিগ ব্যাশ লিগের শেষভাগেও অংশ নিয়েছেন। যদিও গত বছর টি-টোয়েন্টি থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন স্টার্ক, তবুও দীর্ঘ ফরম্যাটে তিনি এখনো অস্ট্রেলিয়ার পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুএই পেসার। সামনে ব্যস্ত সূচি অপেক্ষা করছে অজিদের সামনে। আগস্ট থেকে শুরু করে ১২ মাসে অস্ট্রেলিয়া সর্বোচ্চ ২১টি টেস্ট খেলতে পারে।
এর মধ্যে রয়েছে সাউথ আফ্রিকা, ভারত এবং ইংল্যান্ড সফর, এরপর ২০২৭ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপ। এই পরিস্থিতিতে পেসারদেরকে আগলে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এদিকে গত ডিসেম্বরে আইপিএল নিলামে স্টার্ককে ১১.৭৫ কোটি রুপিতে দলে নেয় দিল্লি ক্যাপিটালস।
তার অনুপস্থিতিতে মৌসুমের শুরুতেই দলটির বোলিং আক্রমণে বড় শূন্যতা তৈরি হবে। একই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্যাট কামিন্স ও জশ হ্যাজলউডও আইপিএলের শুরুর অংশ মিস করবেন হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটের কারণে পুরো আইপিএল থেকেই ছিটকে গেছেন নাথান এলিস।