সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়েকে ১৪১ রানেই গুটিয়ে দেয় বাংলাদেশ। ২১ রানে ৬ উইকেটের ক্যারিয়ার সেরা স্পেল করে বাংলাদেশকে জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন নাহিদ। ব্যাটারদের ব্যর্থতায় পরে সেই ম্যাচ বাংলাদেশ হেরে যায়। তবে শেষ ৫ ওয়ানডেতে ১৭ উইকেট শিকারের পুরষ্কার পেয়েছেন তিনি। উঠে এসেছেন ওয়ানডে বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ের ১২ তম স্থানে। এর আগে ২৪ তম অবস্থান ছিল নাহিদের ক্যারিয়ারসেরা।
এই ম্যাচে জিম্বাবুয়ের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা তিন পেসারও র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি করেছেন। রিচার্ড এনগারাভা এক ধাপ এগিয়ে ১৯তম স্থানে উঠেছেন। ব্র্যাড ইভান্স ১৭ ধাপ এগিয়ে ১১১তম এবং ব্লেসিং মুজারাবানি ১৭ ধাপ এগিয়ে ৩৩তম স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন।
এদিকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে প্রথম ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হলেও পরের দুই ম্যাচ জিতে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে স্বাগতিকরা। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৪৬ বলে অপরাজিত ৭৬ রানের ইনিংস খেলে দলের জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন জ্যাকব বেথেল। সেই পারফরম্যান্সে টি-টোয়েন্টি ব্যাটিং র্যাঙ্কিংয়ে সাত ধাপ এগিয়ে অষ্টম স্থানে উঠে এসেছেন তিনি।
একই ম্যাচে ৩ উইকেট নেওয়ার পর তৃতীয় ম্যাচে অপরাজিত ৪১ রান করা স্যাম কারানেরও হয়েছে বড় উন্নতি। টি-টোয়েন্টি ব্যাটিং র্যাঙ্কিংয়ে তিনি ১২ ধাপ এগিয়ে ১০৮তম এবং বোলিং র্যাঙ্কিংয়ে একই সংখ্যক ধাপ এগিয়ে ৭১তম স্থানে উঠেছেন। অলরাউন্ডারদের তালিকায় ছয় ধাপ উন্নতি করে যৌথভাবে ১৩তম অবস্থানে রয়েছেন তিনি।
ভারতের বিপক্ষে তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে ১২৫ রানের বিশাল জয় পায় ইংল্যান্ড, যা টি-টোয়েন্টিতে ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হার। ওই ম্যাচে ২ উইকেট নেওয়া আদিল রশিদ এক ধাপ এগিয়ে বোলিং র্যাঙ্কিংয়ের তিন নম্বরে উঠে এসেছেন। আর মাত্র দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলেই চার উইকেট নেওয়া জশ টাং যৌথভাবে ৩০১তম স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন। সিরিজে ব্যাট ও বল হাতে অবদান রাখা উইল জ্যাকস অলরাউন্ডারদের র্যাঙ্কিংয়ে ছয় ধাপ এগিয়ে সপ্তম স্থানে উঠে এসেছেন।
ভারতের নতুন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ারের নেতৃত্বে দলের শুরুটা ভালো না হলেও ব্যক্তিগত র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি করেছেন ভারত অধিনায়ক। প্রথম ম্যাচে ৬৮ এবং দ্বিতীয় ম্যাচে ৩৭ রান করে ব্যাটিং র্যাঙ্কিংয়ে ৪২৫ ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ৯৩তম স্থানে উঠে এসেছেন তিনি।
অন্যদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে ক্যারিয়ারসেরা ১৮৮ রান করা শ্রীলঙ্কার ওপেনার লাহিরু উদারা ৫২ ধাপ এগিয়ে ৮৫তম স্থানে উঠেছেন। দুই ইনিংস মিলিয়ে ১২৮ রান করা কামিন্দু মেন্ডিস দুই ধাপ এগিয়ে টেস্ট ব্যাটিং র্যাঙ্কিংয়ের ছয় নম্বরে উঠে এসেছেন। অন্যদিকে, ম্যাচে একমাত্র পাঁচ উইকেট নেওয়া আসিথা ফার্নান্দো দুই ধাপ এগিয়ে টেস্ট বোলিং র্যাঙ্কিংয়ের ২০তম স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের জাস্টিন গ্রিভস ১৮০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে ১৪ ধাপ এগিয়ে টেস্ট ব্যাটিং র্যাঙ্কিংয়ে ৪৯তম স্থানে উঠেছেন। তার সঙ্গী শাই হোপের ১১২ রানের ইনিংসও র্যাঙ্কিংয়ে প্রভাব ফেলেছে। তিনি ছয় ধাপ এগিয়ে ৫১তম স্থানে রয়েছেন।