যদিও তিনি মনে করেন একটি হার তার দলের আত্মবিশ্বাস বদলে দেবে না। বাংলাদেশ দলে এখনও আত্মবিশ্বাসের কোনো কমতি দেখছেন না তিনি। এই টেস্টে হারার কারণ জানা আছে বাংলাদেশ কোচের। ভবিষ্যতে ঘুরে দাঁড়ানোই এখন প্রধান লক্ষ্য বাংলাদেশ দলের।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হতাশাজনক হারের পর সংবাদ সম্মেলনে সিমন্স বলেন, ‘আত্মবিশ্বাস এখনও অনেক আছে। ম্যাচ হারলেও সেই আত্মবিশ্বাসে কোনো ঘাটতি আসেনি। আমরা টানা প্রায় পাঁচটি টেস্ট জিতেছিলাম, তাই দলে আত্মবিশ্বাসের কোনো অভাব নেই। আমরা ব্যাটিংও খুব ভালো করছিলাম। একটি টেস্ট ম্যাচ হারলেই আত্মবিশ্বাস বদলে যায় না। আমরা জানি, এই টেস্টে আমরা হেরেছি কারণ আমরা ঠিকভাবে খেলতে পারিনি। সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। হার থেকেও শেখার অনেক কিছু থাকে।’
এই ম্যাচ হতাশ করেছে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকেও। গত কিছুদিন বাংলাদেশ যেভাবে ক্রিকেট খেলেছে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ঠিক বিপরীত পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছেন ক্রিকেটাররা। এখান থেকেও শিক্ষা নেবেন বলে জানিয়েছেন শান্ত। পাশাপাশি সামনের অস্ট্রেলিয়া সিরিজে এই ম্যাচের শিক্ষা কাজে লাগাতে চান তিনি।
ম্যাচ শেষে শান্ত বলেন, 'অনেক হতাশাজনক একটা পারফরম্যান্স ছিল। আমরা যেভাবে টেস্ট ক্রিকেটটা খেলতেছিলাম গত কিছুদিন ধরে, তারপরে এরকম একটা পারফরম্যান্স অবশ্যই হতাশাজনক। কিন্তু হ্যাঁ, এখান থেকে আমাদের শেখার অনেক জায়গা আছে। সামনে অস্ট্রেলিয়া সিরিজ আছে। তাই এই অবস্থায় আসলে কিরকমভাবে ব্যাটিং করতে হয় বা কিরকমভাবে বোলিং করতে হয়, এটা আমাদের হয়তো সামনের দিকে কাজে আসবে এবং ওই অনুযায়ী আমরা প্রস্তুতিটা নিতে পারব। কিন্তু অধিনায়ক হিসেবে আমি বলব যে এটা অনেক হতাশাজনক পারফরম্যান্স ছিল।'
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ মাত্র ১৪০ রানে গুটিয়ে যায়। জবাবে রানের পাহাড় দাঁড় করায় জিম্বাবুয়ে। প্রথম ইনিংসে জিম্বাবুয়ের করা ৪১০ রানের জবাবে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস গুটিয়ে যায় ১৮৫ রানে। ফলে ইনিংস ও ৮৫ রানে হারের স্বাদ পায় বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়েতে এই একটিই টেস্ট ছিল বাংলাদেশের। এবার সামনে ওয়ানডের চ্যালেঞ্জ।