লম্বা সময় পর বাংলাদেশের জার্সি গায়ে মাঠে নামবেন হাসান। মাঝে ইনজুরির কারণে মিস করেছেন পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজসহ সাদা বলের ক্রিকেটও। সেই সাথে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্টে তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানারা না থাকায় বাড়তি দায়িত্ব নিতে হবে হাসানকে। কাউন্টি খেলে আসায় নিজেকে নিয়ে আত্মবিশ্বাসী এই পেসার।
হাসান বলেন, 'ইংল্যান্ডে কাউন্টির দুইটি ম্যাচ খেলেছি, এরপরে জিম্বাবুয়েতে আসা। আমার মনে হয় সবাই এখানে ভালো অবস্থানে রয়েছে। সবাই ভালো প্রস্তুতি নিচ্ছে, পরিবেশটাও খুবই ভালো হয়েছে। কন্ডিশন একই বলতে গেলে একটু ঠান্ডা রয়েছে। প্রস্তুতিটা খুবই ভালো সবার সাথে আবার দেখা হচ্ছে। অনুশীলন করা আবার নতুন একটা অধ্যায় শুরু। ভালো অনুশীলন করে আশা করি সবাই ভালো প্রস্তুতি নিচ্ছে। ভালো একটা টেস্ট ম্যাচ হবে আমাদের।’
হাসান যোগ করেন, 'বোলারদের প্রিপারেশন খুবই ভালো। অনুশীলন করছে সবাই আশা করি ভালো করবে। ওদের বোলিংটা খুবই ভালো, এখন আমরা ইতিবাচক চিন্তা করছি এবং আমাদের সেরাটা যেন দিতে পারি।’
দ্বিতীয় বাংলাদেশী খেলোয়াড় হিসেবে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে খেলতে গিয়েই রীতিমতো বাজিমাত করেছেন হাসান। প্রথম ম্যাচেই ৯ উইকেট শিকার করে সবার নজর কাড়েন তিনি। শুধু উইকেট শিকারই নয়, ইংল্যান্ডের কন্ডিশনে নিজের লাইন-লেন্থ আর মুভমেন্ট দিয়ে আতন্ক ছড়িয়েছেন প্রতিপক্ষ শিবিরে।
সাকিব আল হাসানের এক যুগেরও বেশি সময় পর কাউন্টি খেলতে গেলেন হাসান। বাংলাদেশে পেস বোলিংয়ের সোনালি সময় অতিবাহিত হলেও কাউন্টির মত টুর্নামেন্টে সুযোগ পান না বাংলাদেশের পেসাররা। এর পেছনে যোগাযোগের অভাবকেই দায়ী করছেন হাসান। তার বিশ্বাস, বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের এখন বিশ্ব পর্যায়ে দাপট দেখানোর মত সক্ষমতা এবং মানসিকতা দুটোই আছে।
এ প্রসঙ্গে হাসান বলেন, 'বাংলাদেশে অনেক ভালো ভালো খেলোয়াড় আছে যাদের বিশ্বপর্যায়ে দাপট দেখানোর সক্ষমতা আছে। তাদের সেই মানসিকতাও আছে। তারা চেষ্টা করছে। অনেক খেলোয়াড়ই এখন দেশের বাইরেও খেলতে যাচ্ছে বিভিন্ন লিগে। পেস বোলাররা নিজেদের কাজগুলা ঠিকঠাক করায় আমাদের অনেক ভালো ভালো পেস বোলার উঠে আসছে।'
কাউন্টিতে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের সু্যোগ না পাওয়া প্রসঙ্গে হাসান বলেন, 'আমাদের সুযোগ সুবিধা আগের চেয়ে অনেক উন্নতি হয়েছে। পাইপলাইনে অনেক পেস বোলার আছে। তারা প্রতিনিয়ত উন্নতি করছে। আমাদের এখন অনেক ফিটনেস ক্যাম্প, বোলিং ক্যাম্প হচ্ছে। ওইভাবে বোলাররা নিজেদের গড়ে তুলছে। বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা অনেক কম কাউন্টি ক্রিকেটে খেলে কারণ আমাদের সেই যোগাযোগটা অনেক কম। আমার মনে হয়, এটা আরেকটু বাড়ানো উচিৎ।'