সিরিজ জিততে চেয়ে শামীম বললেন, টি-টোয়েন্টি এভাবেই খেলা উচিত

বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ
ক্রিকফ্রেঞ্জি
ক্রিকফ্রেঞ্জি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
প্রথম টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে দেওয়ায় দ্বিতীয় ম্যাচ নিয়ে বাংলাদেশের সমর্থকদের মধ্যে বাড়তি একটা আগ্রহ ছিল। তবে সেসব গুঁড়েবালি হয়েছে বৈশাখের তুমুল বৃষ্টিতে। বেরসিক বৃষ্টিতে চট্টগ্রামে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ভেস্তে গেছে। সেই বৃষ্টি মাথায় করে নিয়েই ঢাকায় ফিরেছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। ঢাকায়ও সকালে-বিকেল বৃষ্টির খেলা চলছে।

সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টির আগে শুক্রবার (১লা মে) অনুশীলন করেছেন লিটন দাস, রিশাদ হোসেনরা। সকালের বৃষ্টি ও মেঘলা আকাশের কারণে অনুশীলন হবে কিনা সেটা নিয়ে খানিকটা সংশয় ছিল। তবে সময় মতোই অনুশীলন করতে পেরেছেন ক্রিকেটাররা। শনিবারও (২ মে) বৃষ্টি হানা দিতে পারে। তবে এসব নিয়ে দলের মধ্যে এখনো কথা হয়নি বলে জানিয়েছেন শামীম হোসেন পাটোয়ারি।

এ প্রসঙ্গে আগ্রাসী এই ব্যাটার বলেন, ‘যেহেতু বৃষ্টির ওপর কোনো হাত নেই, এটা আসলে দুর্ভাগ্য। ওইটা নিয়ে কিছু বলারও নেই। আর ওই ধরনের কথা হয়নি এখনও আমাদের মধ্যে।’

প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৬ উইকেটে জয় পাওয়ায় সিরিজে ১-০তে এগিয়ে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ায় সিরিজ জিততে শেষ ম্যাচে জয়ের বিকল্প নেই। শামীমও জানালেন, তারা সিরিজ জেতার জন্যই খেলবেন। তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ অবশ্যই, আমাদের ভালো একটা সুযোগ আছে সিরিজ জেতার। অবশ্যই আমরা চাইব জেতার জন্য খেলতে।’

চট্টগ্রামে প্রথম ম্যাচে ব্যাটিংয়ে বাজিমাত করেছে বাংলাদেশ। সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিমের ব্যাটে শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি টাইগারদের। দশ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান ছিল ২ উইকেটে ৭৭। ম্যাচ জিততে শেষ ১০ ওভারে প্রয়োজন ছিল ১০৬ রান। পারভেজ হোসেন ইমন, তাওহীদ হৃদয় ও শামীমের আক্রমণাত্বক ব্যাটিংয়ে ২ ওভার বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে নেয় বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ৮ ওভারে ১০৬ রান করে ম্যাচ জেতা বিশাল ব্যাপার। শামীম মনে করেন, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এভাবে না খেললে বড় ম্যাচ জেতা যাবে না। বাঁহাতি এই ব্যাটার বলেন, ‘অবশ্যই এভাবে খেলা উচিত টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। না হলে আমরা বড় ম্যাচগুলো জিততে পারব না।’

সেই ম্যাচে ১৩ বলে অপরাজিত ৩১ রান করা শামীম নিজের ব্যাটিং নিয়ে বলেন, ‘আমি যখনই ব্যাটিংয়ে যাই আমি একটু পজিটিভ ভাবনা নিয়ে যাই সবসময়, যে মারার বলটা মেরে দিব। সুতরাং আমি যদি একটু চালু (আক্রমণাত্বক) খেলতে পারি আমার দলের জন্য অনেক ভালো।’

আরো পড়ুন: