গত বছরের অক্টোবরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে হারের পর আউট হওয়ার ধরন নিয়ে শামীমের সমালোচনা করেছিলেন লিটন। পরিস্থিতি না বুঝে গিয়েই উইকেট বিলিয়ে দেওয়ায় বাঁহাতি ব্যাটারের উপর খানিকটা অসন্তুষ্ট ছিলেন বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক। লিটনের সমালোচনার পরের সিরিজেই টি-টোয়েন্টি দল থেকে বাদ পড়েন।
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম দুই টি-টোয়েন্টির দলে রাখা হয়নি শামীমকে। তরুণ এই ব্যাটারকে স্কোয়াডে না রাখায় তৎকালীন প্রধান নির্বাচন গাজী আশরাফ হোসেন লিপুর দিকে আঙুল তুলেছিলেন লিটন। সেটি নিয়ে নির্বাচক ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন, লিটনও পরবর্তীতে দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন। অনেক বিতর্কের পর আইরিশদের বিপক্ষে তৃতীয় ম্যাচেই ফেরানো হয় শামীমকে।
ব্যাট হাতে ছন্দে না থাকায় বাদ পড়ার পরও বাঁহাতি ব্যাটারের জন্য নির্বাচকের সঙ্গে লড়াই করেছিলেন লিটন। টি-টোয়েন্টি অধিনায়কের এমন আস্থার জন্য আবারও ধন্যবাদ জানালেন শামীম। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ১৩ বলে অপরাজিত ৩১ রানের ইনিংস খেলা বাঁহাতি ব্যাটার জানালেন, তার পাশাপাশি অধিনায়কেরও ভালো লাগছে।
শামীম বলেন, ‘প্রথমে আমি লিটন ভাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ দেব। একজন অধিনায়ক হিসেবে যেটা দরকার ছিল উনি সেটা করেছেন, আমাকে ব্যাক করেছেন। সুতরাং আমি ভালো খেলতে পেরেছি, এটা আসলে অনেক ভালো। অধিনায়কেরও ভালো লাগছে, আমারও ভালো লাগছে।’
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দলের দায়িত্ব পেয়েছিলেন লিটন। ডানহাতি উইকেটকিপার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ২০ ওভারের ক্রিকেটে দারুণ সময় পার করছে বাংলাদেশ। এই সময়ের মধ্যে ছয়টি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ জিতেছে টাইগাররা। বিপরীতে হারতে হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে। শামীম জানিয়েছেন, লিটনের অধীনে দলের সবার মধ্যে ভালো একটা বন্ডিং তৈরি হয়েছে।
বাঁহাতি ব্যাটার বলেন, ‘দেখুন— অবশ্যই আমরা গত অনেকগুলো টি-টোয়েন্টি সিরিজ আমরা জিততে পেরেছি। আমাদের দলের মধ্যে একটা ভালো বন্ডিং হয়েছে। দুর্ভাগ্যক্রমে আমরা বিশ্বকাপটা মিস করে ফেলেছি, এটা তো কিছু করার নেই। তাও আমরা অনেক ভালোভাবে প্রস্তুত ছিলাম। অবশ্যই অধিনায়কত্ব ম্যাটার করে।’