সবশেষ নির্বাচনের পর থেকেই বিসিবিতে অস্থিরতা বিরাজ করছে। ক্লাব সংগঠকদের সঙ্গে বিসিবির দ্বন্দ্বে থমকে আছে দেশের ঘরোয়া ক্রিকেট। জাতীয় নির্বাচনের আগে গুঞ্জন উঠে দ্রুতই সভাপতির পদ হারাতে যাচ্ছেন বুলবুল। এমনকি ওয়ান ওয়ে টিকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় পরিবারের কাছে গেছেন তিনি! এমন গুঞ্জন উঠলেও সেসব খবর সঠিক হয়নি।
বরং সেই সময় নিয়মিতই বিসিবিতে অফিস করেছেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক। যদিও রমজানের আগে হুট করেই দেশ ছাড়েন বুলবুল। তখন আবারও নতুন করে গুঞ্জন উঠে এবার হয়ত আর বাংলাদেশে ফিরবেন না তিনি। বিসিবির পরিচালকরা বিভিন্ন সময়ই বলেছেন ঈদের পরপরই বাংলাদেশে আসবেন বুলবুল।
কয়েক দিন বিলম্ব হলেও শেষ পর্যন্ত দেশে ফিরেছেন। ২৮ মার্চ দিবাগত রাতে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে অস্ট্রেলিয়ার সিডনি থেকে ঢাকায় পৌঁছেছেন বুলবুল। রবিবার দুপুর নাগাদ বিসিবিতেও হাজির হয়েছেন তিনি। বিসিবি সভাপতি দেশে ফেরায় অনেক কিছুরই অনিশ্চয়তা কেটে গেছে।
কদিন আগে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে (এনএসসি) গিয়েছিলেন তামিম ইকবালসহ প্রায় ৫০ জন ক্লাব সংগঠক। সেই সময় বর্তমান বোর্ডকে অবৈধ দাবি করে দ্রুতই নির্বাচন নিয়ে তদন্তের অনুরোধ করেছিলেন তারা। তাদের অভিযোগের পর বিসিবি নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম, কারসাজি ও ক্ষমতার অপব্যবহার হয়েছে কিনা এসব যাচাই করতে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করেছে এনএসসি।
পাঁচ সদস্যের সেই কমিটিকে ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। যদিও রমজান ও ঈদের ছুটির কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে পারেননি তারা। তবে দ্রুতই প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। তদন্ত চলাকালীন বিসিবি পরিচালক, অভিযোগকারীসহ সবার সঙ্গে কথা বলবেন তারা।