সাবেক এই অধিনায়ক ক্রিকেটের পাট চুকিয়েছেন বেশ কয়েকবছর আগে। আওয়ামী লীগের হয়ে সংসদ সদস্যও নির্বাচিত হয়েছিলেন দুইবার। তবে ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ পলাতক। তবে মাশরাফি সেই সময় থেকেই দেশে অবস্থান করছেন। তবে জনসম্মুখে আসেননি।
অনেকেই ধারণা করেছিলেন খেলোয়াড়ি জীবনের পাট চুকিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) কাজ করবেন মাশরাফি। তবে সেটা আর সম্ভব হয়নি। তবে বাংলাদেশে অভ্যুত্থানের পর অন্তবর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নিয়েছিল। সেই যাত্রা পেরিয়ে দেশে এখন নির্বাচিত সরকার। এমন পরিস্থিতিতেও মাশরাফি বিসিবিতে কাজ করবেন কিনা তা নিয়েও রয়েছে জল্পনা কল্পনা।
বিসিবির সহ-সভাপতি ও সাবেক অধিনায়ক ফারুক আহমেদ মনে করেন আইনি কোনো জটিলতা না থাকলে বোর্ডে কাজ করতে মাশরাফির কোনো বাধা নেই। তিনি মাশরাফির অধিনায়কত্ব ও নেতৃত্বগুণের কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি। স্বাধীনতা দিবস প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচের পর গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে ফারুক এসব নিয়ে কথা বলেছেন।
তিনি বলেন, 'মাশরাফির ব্যাপারটি তো আমি জানি না। ওর আইনগত কোনো জটিলতা আছে কিনা আমি জানি না। মাশরাফি অধিনায়ক হিসেবে কী করেছে বাংলাদেশের জন্য। আমার সম্পর্কে অনেক কথা বলবেন, এটা বললেও কিন্তু বাংলাদেশের ক্যাপ্টেন থেকে বাদ দিতে পারবেন না। কারণ এটা হয়ে গেছে।'
ফারুক আরও বলেন, 'মাশরাফির বাংলাদেশের ক্রিকেটে যে অবদান ছিল এটা লেখা থাকবে। বাংলাদেশের ওয়ানডে ক্রিকেট আজকে যে অবস্থানে বা ওর সময় যে জায়গায় আমরা দাঁড়িয়ে ছিলাম। তার বিরাট ভূমিকা ছিল পুরো দলটাকে একত্র করার। সেদিক বিবেচনা করলে তার অন্যকোনো যদি সমস্যা না থাকে আসতে পারলে বোর্ডে আসবে। এটার দায়িত্বে আমি না আসলে।'