বেশিরভাগ সময় মিরপুরে স্পিন নির্ভর উইকেট হলেও পাকিস্তান সিরিজে ছিল ভিন্নতা। উইকেটে ঘাসের ছোঁয়া পেয়েই আলো ছড়ান বাংলাদেশের পেসাররা। বিশেষ করে নাহিদ রানা ছিলেন দুর্দান্ত। সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে বাজিমাত করেন ডানহাতি এই পেসার। মাত্র ২৪ রান খরচায় ওয়ানডে ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো ৫ উইকেট তুলে নেন তিনি। পরের দুই ম্যাচে নিয়েছেন তিনটি উইকেট।
তিন ম্যাচে ১৮.১২ গড়ে নিয়েছেন ৮ উইকেট। এমন পারফরম্যান্সে তানজিদ হাসান তামিমের সঙ্গে যৌথভাবে সিরিজসেরা হয়েছেন নাহিদ। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে জন্য সুখবর পেয়েছেন আইসিসি থেকেও। ওয়ানডে বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে ৬৫ ধাপ উন্নতি হয়েছে নাহিদের। ৩৬৭ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশের গতিময় পেসার এখন আছেন ৯৮ নম্বরে। উন্নতি হয়েছে তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমানেরও।
সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে ৪ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের সিরিজ জয়ে বড় অবদান রেখেছিলেন তাসকিন। তিন ম্যাচে ডানহাতি পেসারে শিকার ৬ উইকেট। ১২ ধাপ এগিয়ে ২৮ নম্বরে উঠে এসেছেন তিনি। একই সমান ম্যাচে মুস্তাফিজ নিয়েছেন পাঁচ উইকেট। এমন পারফরম্যান্সে ১৩ ধাপ উন্নতি হয়েছে তারও। বর্তমান ৪৭ নম্বরে আছেন বাংলাদেশের তারকা পেসার। তবে অবনতি হয়েছে রিশাদ হোসেনের। ডানহাতি লেগ স্পিনার ৭ ধাপ পিছিয়ে গেছেন।
বোলারদের ব্যাটারদেরও র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি হয়েছে। পুরো সিরিজ জুড়ে ব্যাট হাতে দারুণ ছন্দে ছিলেন তানজিদ। প্রথম ওয়ানডেতে অপরাজিত ৬৭ রানের ইনিংস খেলে তৃতীয় ম্যাচে করেছেন ১০৭ রান। সবমিলিয়ে একটি করে সেঞ্চুরি ও হাফ সেঞ্চুরিতে ১৭৫ রান করে নাহিদের সঙ্গে যৌথভাবে সিরিজসেরা হয়েছেন বাঁহাতি এই ওপেনার। এমন পারফরম্যান্সের পুরস্কারও পেয়েছেন তিনি।
আইসিসির ওয়ানডে ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ে লম্বা লাফ দিয়েছেন তানজিদ। ৩১ ধাপ উন্নতি করে উঠে এসেছেন ৫৫ নম্বরে। উন্নতি হয়েছে লিটন দাসেরও। ১০ ধাপ এগিয়ে ৮২ নম্বরে জায়গা করে নিয়েছেন। ২ ধাপ এগোনো তাওহীদ হৃদয় আছেন ৩২ নম্বরে। বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে তিনিই সবার উপরে আছেন। তানজিদ-লিটনদের উন্নতি হলেও অবনতি হয়েছে সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন শান্তদের।