এমিরেটস ইন্টারন্যাশনাল প্যানেল অব ম্যাচ রেফারির জি এস লক্ষ্মী বাংলাদেশের ওপর এই জরিমানা আরোপ করেন। সময়ের জন্য অনুমোদিত ছাড় হিসাব করার পরও নিগার সুলতানা জ্যোতির দলকে এক ওভার পিছিয়ে ছিল। ফলে আইসিসির আচরণবিধির নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী শাস্তির মুখে পড়তে হয়েছে বাংলাদেশকে।
আইসিসির আচরণবিধির ২.২২ ধারা অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে একটি দল যত ওভার কম বল করবে, প্রতি ওভারের জন্য খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফির ৫ শতাংশ করে জরিমানা করা হয়। বাংলাদেশ এক ওভার পিছিয়ে থাকায় জরিমানার পরিমাণ হয়েছে ৫ শতাংশ। অধিনায়ক জ্যোতি অপরাধ স্বীকার করে নেওয়ায় এবং প্রস্তাবিত শাস্তি মেনে নেওয়ায় আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন হয়নি।
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগটি আনেন মাঠের আম্পায়ার বৃন্দা রাঠি ও হুমাইরা ফারাহ, তৃতীয় আম্পায়ার সালিমা ইমতিয়াজ এবং চতুর্থ আম্পায়ার রাবাব আহসান। ম্যাচে বাংলাদেশের বোলাররা অবশ্য দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিলেন। একপর্যায়ে মাত্র ৪৪ রানে শ্রীলঙ্কার ৫ উইকেট তুলে নিয়েছিল তারা। শেষ পর্যন্ত হারশিতা সামারাবিক্রমার অপরাজিত ৪৮ রানের ইনিংসে ১৯.২ ওভারে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় শ্রীলঙ্কা।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আগে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১১৪ রান করেছিল বাংলাদেশ। সোবহানা মোস্তারি ৩৪ এবং দিলারা আক্তার ২৬ রান করেন। জবাবে শ্রীলঙ্কা ৬ উইকেট হারিয়ে ১১৫ রান করে ম্যাচ জিতে নেয়। তবে ম্যাচের শেষদিকে বাংলাদেশের ধীর ওভার রেটও আলোচনায় আসে এবং শেষ দুই ওভারে ফিল্ডিং নিয়ন্ত্রণে এর প্রভাব পড়ে।
এই হারের পর বাংলাদেশের সামনে এখন সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। সেমিফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখতে ওই ম্যাচে জয়ের বিকল্প নেই। ফলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হারের হতাশার সঙ্গে এবার স্লো ওভার রেটের জরিমানাও বাংলাদেশের জন্য বাড়তি চাপ হয়ে দাঁড়াল।