বিশ্বকাপের আগে ব্রিটিশ আর্মির সঙ্গে ইংল্যান্ডের মেয়েদের ক্যাম্প

ইংল্যান্ড ক্রিকেট
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
বড় টুর্নামেন্ট বা সিরিজের আগে ফিটনেসে উন্নতি, মানসিক দৃঢ়তা বাড়ানো এবং দলের ক্রিকেটারদের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও একতা বাড়াতে বিশেষ ক্যাম্প করে থাকে দলগুলো। নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে সেই পথে হাঁটছে ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপের আগে ব্রিটিশ আর্মির সঙ্গে ইংল্যান্ডের মেয়েদের ক্যাম্প করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড।

আগামী ১০ মে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে দিয়ে ইংল্যান্ডের মেয়েদের গ্রীষ্ম মৌসুম শুরু হচ্ছে। কিউইদের বিপক্ষে তিনটি ওয়ানডের সঙ্গে সমান সংখ্যক টি-টোয়েন্টিও খেলবেন স্বাগতিকরা। পরবর্তীতে ন্যাট সিভার-ব্রান্ট, সোফি একলেস্টনরা তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলবেন ভারতের বিপক্ষে। ১২ জুন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে ইংল্যান্ড।

বিশ্বকাপের প্রস্তুতির স্বার্থে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ শুরুর আগে ব্রিটিশ আর্মিদের সঙ্গে ক্যাম্প করবেন স্কোয়াডে থাকা ক্রিকেটাররা। ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ক্রিকেটাররা এমন একটি সপ্তাহ কাটাবে যেখানে সিদ্ধান্ত গ্রহণ, সহনশীলতা এবং চাপের মুখে কীভাবে সেরা পারফরম্যান্স করা যায় সেসবের উপর মনোযোগ দেওয়া হবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের কোথায় ক্যাম্পটি হবে সেটা প্রকাশ করা হয়নি।

এ প্রসঙ্গে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) নারী ক্রিকেটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্লেয়ার কনোর বলেন, ‘আমরা সত্যিই ভাগ্যবান যে আমাদের সদ্যই নির্বাচিত বিশ্বকাপ স্কোয়াডকে বিশ্বের অন্যতম সেরা হাই পারফরম্যান্স পরিবেশে পাঠাতে পারছি। আমি আত্মবিশ্বাসী আগামী কয়েক দিনে খেলোয়াড়রা যে অভিজ্ঞতা অর্জন করবে এবং শিখবে সেটা ঘরের মাঠে বিশ্বকাপে চাপের মুহূর্তগুলোতে পারফর্ম করার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখবে।’

বিশ্বকাপের আগে এমন ক্যাম্প অবশ্য ক্রিকেটে নতুন কিছু নয়। ২০১০-১১ অ্যাশেজের আগে জার্মানির একটি জঙ্গলে পাঁচ দিনের আর্মি বুট ক্যাম্প করেছিলেন ইংল্যান্ড পুরুষ দলের ক্রিকেটাররা। সেই ক্যাম্পের পর অ্যাশেজেও ভালো করে করে তারা। যদিও বক্সিং খেলার সময় জেমস অ্যান্ডারসনের পাঁজরের হাড় ভেঙেছিল। ২০১৩-১৪ সফরের আগেও এমন ক্যাম্পের আয়োজন করেছিল তারা।

সেবার অবশ্য অ্যাশেজে জিততে পারেনি ইংল্যান্ড। তাদের বাইরেও আর্মি ক্যাম্প করার অভিজ্ঞতা আছে বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান, মাশরাফি বিন মুর্তজা, মুশফিকুর রহিমদের। এ ছাড়া ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে পাকিস্তানের কাকুলে অবস্থিত একটি সেনাবাহিনীর ক্যাম্পে নিজেদের প্রস্তুত করেছিলেন বাবর আজমরা।

আরো পড়ুন: