শ্রীলঙ্কাকে উড়িয়ে ওয়ানডে সিরিজ জিতল ইংল্যান্ড

ইংল্যান্ড-শ্রীলঙ্কা সিরিজ
ইংল্যান্ড দল, ফাইল ফটো
ইংল্যান্ড দল, ফাইল ফটো
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
পাভান রাত্নায়েকের রান আউট নিয়ে নাটকীয়তার পরও ম্যাচের শেষটা হয়েছে একপেশেভাবেই। ব্যাট হাতে বড় সংগ্রহ গড়ার পর বল হাতেও শ্রীলঙ্কাকে দাঁড়াতেই দেয়নি ইংল্যান্ড। তৃতীয় ওয়ানডেতে ২২৩ রানের বিশাল জয় পেয়েছে হ্যারি ব্রুকের দল।

এই জয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে নিজেদের করে নিয়েছে ইংল্যান্ড। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এই সংস্করণে রানের ব্যবধানে এটিই তাদের সবচেয়ে বড় জয়। এর আগে ১৯৯৯ সালে পার্থে ১২৮ রানে জয়ের রেকর্ড ছিল ইংলিশদের।

ওভালে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতে অবশ্য বিপাকে পড়েছিল ইংল্যান্ড। বেন ডাকেট শূন্য রানে ফেরার পর জো রুটও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। তবে টম ব্যান্টন ও ব্রুকের জুটিই ম্যাচের গতিপথ বদলে দেয়। তৃতীয় উইকেটে দুজনের ১৫০ রানের জুটিতে বড় সংগ্রহের ভিত পায় স্বাগতিকরা।

ব্যান্টন নিজের প্রথম আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরিকে রূপ দেন দারুণ এক ইনিংসে। ১০৫ বলে ১২৬ রান করেন তিনি, যেখানে ছিল ১৬টি চার ও পাঁচটি ছক্কা। ব্রুক ৭৭ রানের ইনিংস খেলেন ৬৬ বলে। এরপর শেষ দিকে জর্ডান কক্সের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৩৫৫ রান জমা করে ইংল্যান্ড।

প্রায় দুই বছর পর ওয়ানডেতে ফিরে সুযোগটা কাজে লাগান কক্স। ৪২ বলে ফিফটি পূর্ণ করার পর ইনিংস শেষ করেন ৫২ বলে ৭৬ রানে। তার ব্যাটে ছিল ছয়টি চার ও দুটি ছক্কা। ইংল্যান্ডের সংগ্রহে অবদান রাখেন উইল জ্যাকস ও জেমি ওভারটনও। শ্রীলঙ্কার হয়ে আসিথা ফার্নান্দো নেন তিনটি উইকেট।

জবাব দিতে নেমে শুরু থেকেই বিপর্যয়ে পড়ে শ্রীলঙ্কা। একের পর এক উইকেট হারিয়ে ৫৩ রানে ৩ উইকেট থেকে দ্রুতই ৮২ রানে ৬ উইকেটে পরিণত হয় তাদের স্কোর। এরপর আর ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পায়নি দলটি। কুশল মেন্ডিসের ৩৫ রানই ছিল তাদের ইনিংসের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ।

শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং ধসের মধ্যে ইংল্যান্ডের স্পিনার লিয়াম ডসন সবচেয়ে বেশি ভোগান সফরকারীদের। ৮ ওভারে মাত্র ২৬ রান দিয়ে তিন উইকেট নেন তিনি। গাস অ্যাটকিনসন পান দুটি উইকেট। মাত্র ১৩২ রানেই শেষ হয়ে যায় শ্রীলঙ্কার ইনিংস, ফলে ইংল্যান্ড পায় ২২৩ রানের বড় জয়।

ম্যাচের মাঝেই অবশ্য আলাদা আলোচনার জন্ম দেয় রাত্নায়েকের রান আউট। আর্চারের সরাসরি থ্রো স্টাম্পে লাগার সময় রাত্নায়েকে ক্রিজের বাইরে ছিলেন। প্রথমে আউট দেন স্কয়ার লেগ আম্পায়ার রব হোয়াইট।

পরে রিভিউতে দেখা যায়, স্টাম্পে বল লাগার আগেই কক্সের গ্লাভসে লেগে বেলস পড়ে যায়। তৃতীয় আম্পায়ার হোল্ডস্টক প্রথমে নট আউটের সিদ্ধান্ত দিলেও পরে আবার সেটি বদলে আউট ঘোষণা করেন। শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের বড় জয়ের পথেই শেষ হয় ম্যাচটি।

আরো পড়ুন: