২৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতে লড়াইয়ের আভাস দিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। তবে ২০ ওভারে ৮৪ রানে ২ উইকেট থেকে হঠাৎই ছন্দ হারায় তারা। কুশল মেন্ডিস ৪২ রান করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। শেষ দিকে দুনিথ ওয়েল্লালাগে ৩৬ বলে ৪৫ রান করে ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু নিয়মিত উইকেট হারিয়ে ৩৭ ওভারে ১৭৬ রানেই গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা।
শ্রীলঙ্কার ইনিংসের পতনটা ত্বরান্বিত করেন জ্যাকস। সাত ওভারে মাত্র ২২ রান দিয়ে নেন ৫ উইকেট। এর মধ্যে শেষ ওভারেই তিনটি উইকেট নিয়ে শ্রীলঙ্কার ইনিংসের শেষটা করে দেন তিনি। ওয়ানডেতে এটাই জ্যাকসের প্রথম পাঁচ উইকেট। একই ম্যাচে ব্যাট ও বল হাতে এমন পারফরম্যান্সে স্বাভাবিকভাবেই ম্যাচসেরার পুরস্কারও ওঠে তার হাতে।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করে শুরুটা ভালো করলেও শেষ দিকে দ্রুত উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক ৬৯ বলে ৬৭ রান করে ইনিংসের ভিত গড়েন। জো রুট করেন ৪৪, বেন ডাকেট ৩২ ও জস বাটলার ৩১ রান যোগ করেন। এরপর জ্যাকসের ৪৭ বলে অপরাজিত ৪৬ রানে ৪৮.১ ওভারে ২৬৫ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকরা। শ্রীলঙ্কার অভিষিক্ত লেগস্পিনার সচিন্দু কলম্বাগে নেন ৩ উইকেট।
ম্যাচ শেষে বিবিসির প্রতিবেদনে ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক জ্যাকসের প্রশংসা করে বলেন, 'উইল অসাধারণ একজন খেলোয়াড়। ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে অনেক বছর ধরেই সে নিয়মিত পারফর্ম করছে। দলে তাকে পাওয়া দারুণ ব্যাপার।'
এই জয়ের মধ্য দিয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড। টি-টোয়েন্টি সিরিজে টানা তিন জয়ের পর ওয়ানডেতেও শুরুটা হলো জয় দিয়ে। তবে টি-টোয়েন্টির মতো একতরফা ছিল না ম্যাচটি; ধীরগতির উইকেটে ২৬৫ রান তুলতে ইংল্যান্ডকেও বেশ লড়তে হয়েছে। এরপর বোলারদের নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্সেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় তারা।