এক বিবৃতিতে উড বলেন, ‘আমি সবসময়ই ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি—চোট কাটিয়ে ফিরে এসে মানুষকে ভুল প্রমাণ করেছি এবং দেখিয়েছি আমি কী করতে পারি। দুর্ভাগ্যবশত, আমি এবার সেই লড়াইয়ে হেরে গেছি। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, আমার পক্ষে টেস্ট ক্রিকেট বা ৫০ ওভারের ম্যাচ খেলা আর সম্ভব নয়। এজন্য গত এক বছরে ইংল্যান্ডের হয়ে খেলার সেই স্বপ্নটা ধীরে ধীরে আমার ভেতর থেকে মিলিয়ে গেছে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘ইংল্যান্ডের হয়ে খেলাটা সবসময়ই আমার জন্য বড় সম্মানের এবং স্বপ্নের মতো ঘটনা। ইংল্যান্ডের হয়ে এত ম্যাচ খেলতে পেরে আমার ভেতরের ছোট সেই ছেলেটি নিশ্চয়ই আজ খুশি হতো। বিশ্ব জুড়ে ভ্রমণ করা, অসাধারণ সব মানুষের সান্নিধ্য পাওয়া এবং সেরাদের সাথে এবং তাদের বিপক্ষে খেলা— আমি যে কাজটি করতে সবচেয়ে ভালোবাসি সেটার মাধ্যমে এসব অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পেরে নিজেকে আমি ভাগ্যবান মনে করি।’
২০১৫ সালের মে মাসে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় উডের। একই মাসে লর্ডসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক হয়েছে টেস্টে। জুনে ডানহাতি পেসারের অভিষেক হয় টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে। অবসরের আগে ইংল্যান্ডের জার্সিতে ৩৮ টেস্টে ৩০.৭৯ গড়ে ১১৯ উইকেট নিয়েছেন উড। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে গতির জন্য বেশ পরিচিত ছিলেন তিনি।
শেষ পর্যন্ত সেই গতিই কাল হয়েছে তার। গতিময় বোলিংয়ের কারণে প্রায়শই চোটের মুখে পড়তে হয়েছে উডকে। ২০২৫ সালের নভেম্বরের পর থেকে মাঠের ক্রিকেট নেই তিনি। রঙিন পোশাকে ৭০ ওয়ানডে খেলে ৮০ উইকেট নিয়েছেন তিনি। এ ছাড়া ৩৮ টি-টোয়েন্টিতে ইংলিশ পেসারের শিকার ৫৪ উইকেট। ইংল্যান্ডের হয়ে ২০১৫ অ্যাশেজ জয়ের পাশাপাশি ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপ ও ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছেন।