ভারতের প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর অবশ্য সূর্যবংশীকে নিয়মিত দলে জায়গা পেতে আরও অপেক্ষা করার পক্ষে মত দিয়েছেন। ইংল্যান্ডে ভারতের হয়ে অভিষেকের পর তিন ম্যাচে ৪২ রান করেন সূর্যবংশী। এরপর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজে ১৫১ রান করে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হন তিনি।
জয়াসুরিয়া বলেন, 'আমি মনে করি, তাকে খেলতে দিন। সে ভারতের ভবিষ্যৎ। ওর হাতে অনেক সময় আছে। তাই ওকে ভালো করার সুযোগ ও জায়গা দিন, ও ভালো করবে।'
সূর্যবংশী কখন সুযোগ পাবেন, সেটি পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে বলে মনে করেন জয়াসুরিয়া। তবে সুযোগ এলে এই তরুণ সেটি কাজে লাগাবেন বলেই বিশ্বাস তার, 'সুযোগ আসবে। কোথায় ও খেলবে, সেটা আমি বলতে পারি না, সেটা নির্ভর করছে। যখনই সুযোগ আসবে, ও সেটি কাজে লাগাবে।'
আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে বৈভবকে ওপেনার হিসেবে খেলানোর আলোচনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত অভিষেক শর্মা ও সাঞ্জু স্যামসনকেই বেছে নেন গম্ভীর। ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী এই জুটি পরে ৩৪৬ রান যোগ করে। ফলে সূর্যবংশীকে অপেক্ষায় থাকতে হয়।
গম্ভীর পরে বলেন, 'সূর্যবংশীর সঙ্গে বিষয়টি খুব পরিষ্কার ছিল, ওকে নিজের সুযোগের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। আমরা জানি ওর প্রতিভা সম্পর্কে। আমরা জানি ও কী করতে পারে। কিন্তু গত দুই বছর দুর্দান্ত পারফর্ম করা একজন খেলোয়াড়, যে কিনা দলে অনেক দিন ধরে আছে, স্বাভাবিকভাবেই নতুন আসা একজনের চেয়ে এগিয়ে থাকবে।'
ভারতের প্রধান কোচ আরও বলেন, 'যখনই ও সুযোগ পাবে, তখন দীর্ঘ সময় খেলার সুযোগও পাবে। ভারতীয় ক্রিকেটে প্রতিযোগিতা ও প্রতিভা থাকা জরুরি। তবে কখনো কখনো ক্রিকেট এমনই হয়। আপনি ১৫ বছরের হন কিংবা ৩০ বছরের, সুযোগের জন্য অপেক্ষা করতে হলে অপেক্ষা করতেই হবে।'