শুক্রবার এক বিবৃতিতে পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগকারী আর কোনো অভিযোগ করতে চাননি। ফলে এ ঘটনায় আর কোনো পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে না। ২৩ আগস্ট ভোরে ডার্বির ওয়ার্ডউইকের মলি ম্যালোনস রেস্তোরাঁয় গিয়ে এক ব্যক্তিকে মদ্যপ ও বিশৃঙ্খল আচরণের সন্দেহে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। পরে তার কাছ থেকে বিস্তারিত জানার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
'ডার্বি শহরের কেন্দ্রে একটি হামলার অভিযোগের তদন্ত বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। অভিযোগকারী কোনো অভিযোগ করতে চাননি। তাই এ বিষয়ে আর কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।', বিবৃতিতে জানিয়েছে ডার্বিশায়ার পুলিশ।
ঘটনার কয়েক দিন আগে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে ডারহামের সতীর্থদের সঙ্গে জয় উদযাপনের সময় একটি পানশালার বাইরে মাতাল ও বিশৃঙ্খল আচরণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন কার্স। সেই ঘটনার পর ইংল্যান্ডের টেস্ট দল থেকে বাদ পড়েন তিনি। পরে ডার্বিশায়ার পুলিশ ওই ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত হামলার অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছিল।
তবে কার্সের বিরুদ্ধে আলাদাভাবে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড। এ কারণেই পাকিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় টেস্টের দলে রাখা হয়নি তাকে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সাদা বলের সিরিজেও তাকে বিবেচনা করেনি ইংল্যান্ড।
মাঠের বাইরের আচরণের কারণে অবশ্য এবারই প্রথম আলোচনায় আসেননি কার্স। ২০২৪ সালে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের জুয়া-বিরোধী নিয়ম ভাঙার দায়ে তাকে তিন মাসের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। তবে নিষেধাজ্ঞার একটি বড় অংশ স্থগিত ছিল। এরপর সব সংস্করণেই ইংল্যান্ডের নিয়মিত ক্রিকেটার হয়ে ওঠেন তিনি।