ইমাম-রিজওয়ানকে তলব করেছে পাকিস্তানের সাইবার ক্রাইম ইউনিট

পাকিস্তান ক্রিকেট
মোহাম্মদ রিজওয়ান ও ইমাম উল হক, ফাইল ছবি
মোহাম্মদ রিজওয়ান ও ইমাম উল হক, ফাইল ছবি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
সাম্প্রতিক সময়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে পাকিস্তানের ভরাডুবি, সাত ক্রিকেটারকে দেশে ফেরানো এবং এরপর খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাজনিত তদন্ত-এই ধারাবাহিকতার মধ্যেই নতুন করে আলোচনায় এসেছে ইমাম-উল-হক ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের মোবাইল ফোনের তথ্য। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ জানিয়েছে, ফোন থেকে পাওয়া তথ্যের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকেই তলব করেছে পাকিস্তানের ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনসিসিআইএ)।

ঘটনার সূত্রপাত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে পাকিস্তানের ১৯৪ রানের হারের পর। ওই ম্যাচের পরই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) দলে বড় পরিবর্তন আনে। রিজওয়ান, ইমাম, সালমান আলী আঘা, আলী উসমান, আমের জামাল, আওয়াইস জাফর ও খুররম শাহজাদকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়। একই সঙ্গে সরিয়ে দেওয়া হয় প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ ও বোলিং কোচ উমর গুলকে।

এরপরই খেলোয়াড়দের মোবাইল ফোনের তথ্য নিয়ে তদন্ত শুরু হয়। জিও নিউজের বরাত দিয়ে জানা গেছে, পিসিবি ইমাম ও রিজওয়ানের মোবাইল ফোন নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করে।

পরে এনসিসিআইএ দুজনকে নোটিশ দিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছে। আরও একজন পাকিস্তানি ক্রিকেটারও একই ধরনের নোটিশ পেয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। তবে ফোনে ঠিক কী ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে বা তদন্তে কোন বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডনও এর আগে জানিয়েছিল, ইমাম ও রিজওয়ানকে ঘিরে পিসিবির অভ্যন্তরীণ তদন্ত চলছে। একই সময়ে তাদের দলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে বোর্ড। আগস্টের শেষ দিনে নির্বাচক কমিটির এক সদস্যের কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চায় পিসিবি।

জিও নিউজের প্রকাশিত সেই নোটিশে নির্বাচককে ইমাম ও রিজওয়ানকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ড সফরের টেস্ট দলে নেওয়ার কারণ, নির্বাচনের মানদণ্ড এবং পারফরম্যান্স বিবেচনার বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করতে বলা হয়।

ইমামকে ঘিরে আলাদা করে তৈরি হয়েছে চোটের বিতর্কও। লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টের সময় পায়ের পেশির চোটের কারণে ব্যাটিং না করলেও পরে তাঁকে থ্রোডাউন করতে দেখা যাওয়ায় তাঁর চোট নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। পাকিস্তানের হাই পারফরম্যান্স পরিচালক আকিব জাভেদও বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। এরপর পিসিবির অভ্যন্তরীণ তদন্তের পরিধি আরও বাড়ে। তবে ইমাম বা রিজওয়ানের বিরুদ্ধে কোনো নির্দিষ্ট অপরাধের অভিযোগ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি বোর্ড বা এনসিসিআইএ।

আরো পড়ুন: