তার মতে, বারবার পরিবর্তন করে পাকিস্তান ক্রিকেটের সমস্যার সমাধান হবে না। বরং এতে যা কিছু ঠিকঠাক আছে, সেটিও নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। পাকিস্তানের একটি গণমাধ্যমের পডকাস্টে মিসবাহ জানান, চাপের মুখে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত না নিয়ে সমস্যাগুলো ভালোভাবে বিশ্লেষণ করা উচিত।
মিসবাহ বলেন, 'প্রথমত, আপনাকে দল হিসেবে কাজ করতে হবে, আতঙ্কিত হওয়া যাবে না। আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ধারাবাহিকতা। সিদ্ধান্তেও ধারাবাহিক থাকতে হবে। বিষয়গুলো ঠিকভাবে বিশ্লেষণ করতে হবে। শুধু কসমেটিক সার্জারির জন্য পরিবর্তন আনা যাবে না। এতে কোনো লাভ নেই।'
লর্ডসে পাকিস্তানের ১৯৪ রানের হারের সময় নির্বাচক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন মিসবাহ। এরপর বোর্ডের বড় পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত না হওয়ায় পদ ছাড়েন তিনি।
ভারতের উদাহরণ টেনে সাবেক এই অধিনায়ক বলেন, 'সারা বিশ্বেই দলগুলোর ভালো ও খারাপ সময় আসে। কিন্তু তারা নিজেদের বিশ্লেষণ করে এরপর সিদ্ধান্ত নেয়। কে খেলবে, কত দিন খেলবে, কে খেলতে চায় না- এসব বিষয় নিয়ে তারা সিদ্ধান্ত নেয়।'
অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মতো দলও খারাপ সময় এলে সমর্থক, গণমাধ্যম কিংবা সমালোচকদের চাপে পরিকল্পনা বদলায় না বলে মনে করেন মিসবাহ। তার ভাষায়, 'পারফরম্যান্স ওঠানামা করতেই পারে। যতই সমালোচনা হোক, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডও তাদের পরিকল্পনা দেখে। আমাদেরও সেটাই করা উচিত।'
তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রবণতাকেই পাকিস্তান ক্রিকেটের অন্যতম বড় সমস্যা হিসেবে দেখছেন মিসবাহ। তিনি বলেন, 'আমরা যখন প্রতিক্রিয়াশীল সিদ্ধান্ত নিই, অনেক সময় এমন হয় যে যা ভাঙা ছিল না, সেটাও ভেঙে ফেলি। এরপর সেটার ক্ষতি আমাদেরই বহন করতে হয়।'
হেডিংলিতে ইনিংস ব্যবধানে ও লর্ডসে ১৯৪ রানে হেরে সিরিজ ইতিমধ্যে খুইয়েছে পাকিস্তান। ৯ সেপ্টেম্বর এজবাস্টনে শুরু হবে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্ট।